আকমল সাহেব কর্তৃক নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিকার কীভাবে করা সম্ভব? ব্যাখ্যা দাও। (প্রয়োগ)
1 Answers
বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে, যদি কোনো প্রার্থী নির্ধারিত ব্যয়ের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে, অন্য প্রার্থীর প্রচার কাজে ব্যাখাত ঘটায়, নির্বাচনে অসঙ্গত প্রভাব খাটিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে, জাল ভোট দেয় প্রভৃতি নির্বাচনি আচরণবিধি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনকারী প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্ধারিত শাস্তি ভোগ করবে। উদ্দীপকের আকমল সাহেব এ ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য বা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিকার হিসেবে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে ব্যবস্থা রয়েছে।
উদ্দীপকের আকমল সাহেবও তেমনি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। কারণ তিনি নির্বাচনি প্রচারণায় অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন এবং তার কর্মীরা অন্য প্রার্থীর লিফলেট, ব্যানার নষ্ট করেছে। এসব কাজ দ্বারা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনকেই বোঝায়।
পরিশেষে বলতে পারি, শুধু আইন করে বা আইনের দ্বারা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিকার করা যায় না, এর সাথে সামাজিক সচেতনতা বা নাগরিক সচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে।