1 Answers
উদ্দীপকে আহনাফের চিন্তার সাথে পাঠ্যপুস্তকের পৃথিবীর বার্ষিক গতির ধারণাটির মিল পাওয়া যায়। এ গতির ফলে দিন-রাত্রির হ্রাস- বৃদ্ধি ঘটে। বার্ষিক গতির ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন সময়ে দিন ও রাত্রির সময়ের ব্যবধান হয়। অর্থাৎ কখনো দিন বড় হয় আবার কখনো রাত বড় হয়।
বার্ষিক গতির ফলে ২১ শে জুন তারিখে পৃথিবীর উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সর্বাপেক্ষা বেশি কোণে ঝুঁকে থাকে ফলে এ সময় উত্তর মেরুতে সর্বাপেক্ষা বড় দিন হয়। এ তারিখ থেকে দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকে। ফলে দিন দীর্ঘ ও রাত ছোট হয়। আবার ২২ ডিসেম্বর তারিখে দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে সর্বাপেক্ষা বেশি হেলে থাকে। উত্তর মেরু সূর্য হতে সর্বাপেক্ষা দূরে অবস্থান করে ফলে উত্তর মেরুতে সর্বাপেক্ষা দিন হয়। এ তারিখের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে। তাই দিন ছোট ও রাত বড় হয়। উদ্দীপকের আহনাফ মে/জুন মাসে রোজার সময় দীর্ঘ হওয়ায় ক্লান্তি অনুভব করে। সে ভাবে ডিসেম্বর মাসে যখন রোজা রাখবে তখন সে নিশ্চয় ক্লান্তি অনুভব করবে না। উত্তর গোলার্ধের পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলেই মে/জুন মাসে দীর্ঘদিন ও ডিসেম্বর মাসে ছোট দিন প্রত্যক্ষ করে।
সুতরাং বলা যায় যে, আহনাফের চিন্তার সাথে পৃথিবীর বার্ষিক গতির মিল পাওয়া যায়।