1 Answers
উদ্দীপকে 'বঙ্গবাণী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবটি হলো- মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা।
সাধারণভাবে মা, মাতৃভূমি আর মাতৃভাষা মানুষের আমিত্বের সঙ্গে মিশে থাকে। মাতৃভাষায় কথা বলার মতো এত সহজ উপায় আর নেই; তাই এ ভাষা মানুষের কাছে এত প্রশান্তির, এত মধুর। এ ভাষার জন্যেই অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন এ দেশের বীর সন্তানেরা।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলার দামাল ছেলেরা মাতৃভাষার মান রক্ষার্থে রাজপথে জীবন দেন। তাঁরা মা'কে যেমন ভালোবাসেন মাতৃভাষাকেও তেমনই ভালোবাসেন। তাই তাঁরা প্রমাণ করতে পেরেছেন মা, মাটি ও মাতৃভাষা তাঁদের কাছে সমান ভালোবাসার জিনিস। 'বঙ্গবাণী' কবিতায় কবি নিজের মনের গভীর ভাব প্রকাশ করেছেন। মাতৃভাষার বাইরে আরবি বা ফারসি ভাষার প্রতি তাঁর কোনো বিদ্বেষ নেই। তাঁর যুক্তি, মাতৃভাষাকে আগে ভালোবেসে পরে অন্য ভাষাকে স্থান দিতে হবে। মাতৃভাষার প্রতি যাদের মমতা নেই কবি তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাদের জন্ম ও বংশ পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন তারা কেন এ দেশ ত্যাগ করে বিদেশ যায় না। এভাবে উদ্দীপকে 'বঙ্গবাণী' কবিতার ভাবটি মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।