1 Answers

উদ্দীপকে 'একাত্তরের দিনগুলি' রচনার বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এদেশের মানুষ আত্মদান ও ত্যাগ স্বীকারের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচারে বাঙালিরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। দিনে দিনে শোষকদের বৈষম্যমূলক আচরণের মাত্রা বেড়েই চলছিল। তাই এদেশের মানুষ তাদের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়ায়। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করে আনে।

উদ্দীপকে স্বাধীনতার জন্য অপেক্ষার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে এ দেশে যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল, সবার চোখেমুখে যে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার চিত্র ভাসছিল সেই দিকটিকে নির্দেশ করা হয়েছে এখানে। সেই সময় মনে হচ্ছিল যেন গাছের পাতায়, ফুটপাতে, পাখির পালকে, নারীর চোখে, পথের ধুলোয়, বস্তির দুরন্ত ছেলের হাতের মুঠোয় সবকিছুর মাঝেই যেন স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। 'একাত্তরের দিনগুলি' রচনায় মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকার অবস্থা এবং পাকিস্তানি হানাদারদের নির্মম অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে দেশ শত্রুমুক্ত হয়ে যাওয়ার খবর সবার মুখে মুখে চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। উদ্দীপকে 'একাত্তরের দিনগুলি' রচনায় চারদিকে স্বাধীনতার কথা ছড়িয়ে যাওয়ার চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার যে চিত্র প্রকাশ পেয়েছে সেই দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

4 views

Related Questions