1 Answers
মানুষের হিদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালা নবি ও রাসুলগণের মাধ্যমে ১০৪ খানা আসমানি কিতাব প্রেরণ করেছেন। এর মধ্যে ১০৩ খানা আসমানি কিতাব বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর জন্য এবং একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য তিনি নাজিল করেছেন। আর এসব কিতাব পুরোটাই সংশ্লিষ্ট রাসুলের নিকট একত্রে নাজিল করা হতো। কিন্তু আল-কুরআন এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এটি রাসুল (স.)-এর নিকট একত্রে নাজিল করা হয়নি। বরং তাঁর নবুয়তের ২৩ বছরে প্রয়োজন অনুসারে খন্ড খন্ড করে নাজিল করেছেন। উদ্দীপকের শিক্ষক মহোদয় তার বক্তব্য দ্বারা এসবিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন। আল-কুরআন ২৩ বছরে খন্ড খন্ড করে নাজিল করার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো-
১. ইসলামবিরোধী কাফির মুশরিকদের বিভিন্নমুখী নির্যাতন, নিপীড়ন ও উৎপীড়ন মোকাবিলা এবং নবির হৃদয়-মনকে দৃঢ় রাখার জন্য।
২. পূর্ণ কুরআন একসঙ্গে নাজিল হলে তা বহন করা কোমল হৃদয়সত্তার অধিকারী নবির জন্য কষ্টসাধ্য হতো।
৩. শরিয়তের বিধিবিধান ও নির্দেশনাবলি পর্যায়ক্রমে জারি করা ও পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের জন্য।
৪. কুরআন শরিফ হিফয করা, উপলব্ধি করা এবং সে অনুসারে জীবন গঠন করা যাতে সহজসাধ্য হয় তার জন্য।
৫. সমাজ বিপ্লবের লক্ষ্যে সংঘটিত বিভিন্ন বিবরণ পেশ করা এবং এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলমানদেরকে সতর্ক করা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দান করার জন্য।