1 Answers
শিশুটি কোয়াশিয়রকর রোগে আক্রান্ত। কোয়াশিওরকর হলো প্রোটিনের অভাবজনিত রোগ। নিতু ও তার বন্ধুরা রাস্তার পাশে শিশুটির শারীরিক লক্ষণ দেখে রোগটি শনাক্ত করল। শিশুটির মধ্যে যেসব লক্ষণ দেখে তারা রোগটি শনাক্ত করল সেগুলো হলো-
১. মাংসপেশি শুকিয়ে শরীর শীর্ণ হয়ে গেছে।
২. শিশুটির শরীরের চামড়া ঢিলে হয়ে গেছে এবং কুঁচকে গেছে।
৩. পায়ে শোথ দেখা যাচ্ছিল।
৪. মাথার চুলগুলো ছিল হালকা বাদামি রঙের এবং চুল উঠে পাতলা হয়ে গেছে।
৫. শিশুটি উদাসীন হয়ে থাকে এবং কোন কিছুতেই উৎসাহী ছিল না।
৬. তারা দেখলো বয়সের তুলনায় শিশুটি আকারে ছোট এবং ওজন অনেক কম।
এ সকল লক্ষণ দেখেই নিতু ও তার বন্ধুরা বুঝতে পারল যে শিশুটি কোয়াশিয়রকর রোগে ভুগছে।
5 views
Answered