1 Answers

উদ্দীপকে শাজমীনের শ্রেণিকরণ লক্ষণভিত্তিক শ্রেণিকরণ। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো:

হিউয়েল এর মতে, শ্রেণিকরণ হলো লক্ষণভিত্তিক। লক্ষণ হলো কোনো শ্রেণির এমন একটি নমুনা, যার মধ্যে সেই শ্রেণির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলি বিদ্যমান থাকে। শ্রেণিকরণের সময় আমরা প্রথমে একটি নমুনা নির্বাচন করি এবং সেই নমুনাকে কেন্দ্র করে তার সদৃশ বস্তুগুলোকে একই শ্রেণিতে বিন্যস্ত করি। আবার নমুনা বা লক্ষণ হচ্ছে একটি শ্রেণির প্রতীক। কাজেই এই প্রতীকের সাথে যেসব বস্তুর সাদৃশ্য আছে সেগুলোকে আমরা এক শ্রেণিতে বিন্যস্ত করি এবং যেসব বস্তুর বৈসাদৃশ্য আছে সেগুলোকে ভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করি। যেমন- জীবজন্তুর শ্রেণিকরণের ক্ষেত্রে প্রাণিবিজ্ঞানীরা 'বাঘ'কে নমুনা হিসেবে গ্রহণ করে বাঘের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ প্রাণী হিসেবে সিংহ, চিতা, পুমা, হায়েনা, প্যান্থার, বিড়াল, বনবিড়াল ইত্যাদি প্রাণীকে বাঘের সাথে শ্রেণিবদ্ধ করে ফেলিডা (Felidae) নামক শ্রেণিটি গঠন করেন। কাজেই এদিক থেকে হিউয়েল লক্ষণকেই শ্রেণিকরণের একমাত্র ভিত্তি বলে মনে করেন। উল্লেখ্য, যেহেতু এরূপ শ্রেণিকরণে একটি নমুনা নির্বাচন করা হয়, তাই একে নমুনাভিত্তিক শ্রেণিকরণও বলা যায়। আবার এক্ষেত্রে একটি শ্রেণির প্রতীকের ভিত্তিতে যেহেতু শ্রেণিকরণ করা হয়, তাই একে প্রতীকনির্ভর শ্রেণিকরণও বলা হয়।

 

4 views

Related Questions