1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত পূর্ণাঙ্গ আরোহের সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের বৈসাদৃশ্য নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- পূর্ণাঙ্গ আরোহ অনুমান প্রক্রিয়ায় সার্বিক যুক্তিবাক্যের অন্তর্গত প্রতিটি দৃষ্টান্তকে পর্যবেক্ষণ করার পর সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রক্রিয়ায় মাত্র কয়েকটি দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করেই সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।

আমরা জানি, বৈজ্ঞানিক আরোহ কার্যকারণ নিয়মের উপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ প্রক্রিয়ায় কার্যকারণের কোনো প্রয়োজন পড়ে না। এতে সবগুলো দৃষ্টান্ত গণনার মাধ্যমে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক আরোহ হচ্ছে একটি প্রকৃত বা যথার্থ আরোহ। এ আরোহের মধ্যে সবগুলো গুণ উপস্থিত থাকে। অন্যদিকে, পূর্ণাঙ্গ আরোহ একটি প্রকৃত বা অযথার্থ আরোহ, কারণ এতে আরোহের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গুণের অনুপস্থিতি থাকে। বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান প্রক্রিয়ায় আরোহাত্মক লম্ফ উপস্থিত। অন্যদিকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ অনুমানে আরোহাত্মক লম্ফ অপুপস্থিত।

পূর্ণাঙ্গ আরোহে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে সব দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করা হয়; কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহে তার প্রয়োজন নেই। পূর্ণাঙ্গ আরোহ যে বাক্য স্থাপন করে তার সন্দেহের অবকাশ থাকে; কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহের ক্ষেত্রে এরকম কোনো অবকাশ থাকে না।

উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় পূর্ণাঙ্গ আরোহ এবং বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য বিদ্যমান।

7 views

Related Questions