1 Answers
বস্তুগত সত্যতা অর্জনই হলো আরোহ অনুমানের প্রধান লক্ষ্য। নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ আরোহের উপাদান অর্থাৎ আশ্রয়বাক্যগুলো বাস্তব জগতের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে সরবরাহ করে এবং আশ্রয়বাক্যগুলো বস্তুগতভাবে সত্যতা নিশ্চিত করে। আরোহ অনুমানে কয়েকটা বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে একটা সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেমন, 'সব মানুষ হয় মরণশীল' এ সার্বিক যুক্তিবাক্যটা প্রতিষ্ঠার জন্য কয়েকজন মানুষের মৃত্যুর বাস্তব দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণ করা হয় এবং তার ভিত্তিতে সামান্যীকরণ করা হয়। যেসব ক্ষেত্রে নিরীক্ষণ ফলপ্রসূ হয় না, সেসব ক্ষেত্রে পরীক্ষণের সাহায্য নেওয়া হয়। যেমন, সব ক্ষেত্রেই হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মিশ্রণ থেকে পানি উৎপন্ন হয়- এ সার্বিক যুক্তিবাক্যটা প্রতিষ্ঠা করার জন্য পরীক্ষণের প্রয়োজন হয়। এভাবে বাস্তব ঘটনাসমূহ নিরীক্ষণ কিংবা পরীক্ষণ করে আমরা যে আশ্রয়বাক্যগুলো সংগ্রহ করি সেগুলো বস্তুগতভাবে সত্য। আরোহ অনুমানে সিদ্ধান্তের বস্তুগত সত্যতা নির্ধারিত হচ্ছে আশ্রয়বাক্যগুলোর বস্তুগত সত্যতা দ্বারা।
আবার আশ্রয়বাক্যগুলোর বস্তুগত সত্যতা নিশ্চিত হচ্ছে নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণের সাহায্যে। কাজেই নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ হচ্ছে আরোহের বস্তুগত ভিত্তি।