1 Answers
উদ্দীপকে অধ্যাপক আবু সালেহ নিরীক্ষণ এবং পরীক্ষণ উভয় বিষয়ে আলোচনা করেছেন। উভয়ই আরোহের বস্তুগত ভিত্তি। আরোহ অনুমানের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে বস্তুগত সত্যতাকে অর্জন করা। এরূপ অনুমানে কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করেই আমরা সার্বিক সিদ্ধান্তে উপনীত হই। বিশেষ দৃষ্টান্তগুলো পরীক্ষা করতে গিয়ে আমরা কোনো সময় পরীক্ষণের আশ্রয় নেই; আবার কোনো সময় নিরীক্ষণের আশ্রয় নেই। যেমন- নিরীক্ষণের সাহায্যে কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে মশার কামড়ের ফলে ম্যালেরিয়া রোগের আবির্ভাব ঘটতে দেখে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি যে, সকল ক্ষেত্রেই মশার কামড়ের ফলে ম্যালেরিয়া রোগ হয়। আবার পরীক্ষণের কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে তাপ প্রয়োগ করে পদার্থের আয়তন বাড়াতে দেখে আমরা সিদ্ধান্ত করি যে, সব ক্ষেত্রেই তাপ প্রয়োগে পদার্থের আয়তন বাড়ে। নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ আরোহ অনুমানের বাস্তব উপাদান সরবরাহ করে। এদের সাহায্যে আরোহ অনুমানের আশ্রয়বাক্য সংগ্রহ করি, যা বাস্তব ঘটনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত। কাজেই এগুলো বস্তুগত সত্যতার নিশ্চয়তা দেয়। আরোহ অনুমানর সিদ্ধান্তের বস্তুগত সত্যতা নির্ভর করে পরীক্ষণ ও নিরীক্ষণের উপর। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ আরোহের বস্তুগত ভিত্তি।