1 Answers

অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির মধ্যে থাকতে পারে অথবা কোনো ব্যক্তির মধ্যে থাকতে পারে। আবার শ্রেণি বা ব্যক্তি উভয় ক্ষেত্রেই অবান্তর লক্ষণ অবিচ্ছেদ্য হতে পারে এবং বিচ্ছেদ্য বা বিয়োজ্যও হতে পারে। সুতরাং অবান্তর লক্ষণ চার ধরনের হতে পারে। যথা-

১. শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (Inseparable accident of a class): যে অবান্তর লক্ষণ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকের মধ্যে অপরিবর্তনীয়ভাবে থাকে তাকে 'শ্রেণির অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ' বলে। যথা- সাদা রং শ্রেণিগতভাবে বকের একটা অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ এ গুণটা সব বকের মধ্যে বর্তমান।

২. শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (Separable accident of a class): যে অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে থাকে (সবার মধ্যে নয়) তাকে 'শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ' বলে। যেমন- কালো রং শ্রেণিগতভাবে মানুষের একটা বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ এ গুণটা মানুষের মধ্যে থাকে কিন্তু সব মানুষের মধ্যে নয়।

৩. ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (Inseparable accident of an individual): যে অবান্তর লক্ষণ কোন ব্যক্তির মধ্যে সব সময় বর্তমান এবং কোনো ক্রমেই পরিবর্তনযোগ্য নয় তাকে 'ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ' বলে। যেমন- ব্যক্তির জন্মস্থান, জন্ম তারিখ, বংশ ইত্যাদি ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ কোনো ব্যক্তি দু স্থানে বা দু বংশে জন্মগ্রহণ করতে পারে না।

৪. ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (Separable accident of an individual): যে অবান্তর লক্ষণ কোনো ব্যক্তির মধ্যে কখনো বর্তমান আবার কখনো অবর্তমান থাকে তাকে 'ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ' বলে। যেমন- কোনো ব্যক্তির পোশাক পরিচ্ছদ, চাল-চলন, পেশা ইত্যাদি ব্যক্তির বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ ব্যক্তিটি যেকোন সময় এগুলো বদলাতে পারে।

5 views

Related Questions