1 Answers
উদ্দীপক অনুযায়ী আমরা বলতে পারি যে, বিধেয়ক বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। তার মধ্যে অবান্তর লক্ষণ হলো অন্যতম। যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, আবার জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় না তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। অবান্তর লক্ষণকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
১. শ্রেণিগত অবান্তর লক্ষণ ও ২. ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ। শ্রেণিগত ও ব্যক্তিগত বিষয়ের উপর ভিত্তি করে অবান্তর লক্ষণকে আবার চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা
i. শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ,
ii. শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ,
iii. ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এবং
iv. ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।
যে অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির ক্ষেত্রে অপরিহার্যভাবে উপস্থিত থাকে তাকে শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- সকল গরু হয় চতুষ্পদী প্রাণী। যে অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির মধ্যে কখনো বর্তমান থাকে, আবার কখনো থাকে না তাকে শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- বিড়াল হয় সাদা।
যে অবান্তর 'লক্ষণ কোনো ব্যক্তি বিশেষের ক্ষেত্রে অপরিবর্তনীয়ভাবে সর্বদা বর্তমান থাকে তাকে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- শারমিন ১৯৯০ সালে জন্মগ্রহণ করে। আবার, সে অবান্তর লক্ষণ কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কখনো উপস্থিত থাকে, কখনো থাকে না তাকে ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- সে ফুটবল খেলা দেখতে ভালোবাসে।