1 Answers

গুণ ও পরিমাণ অনুসারে যুক্তিবাক্যকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 

i. সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য -A 

ii. সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য -E 

iii. বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য -। এবং 

iv. বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য - ০ 

i. সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য: যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ স্বীকার করে তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'সকল দার্শনিক হয় জ্ঞানী।' 

ii. সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য: যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্য্যর্থ অস্বীকার করে, তাকে নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কোনো মানুষ নয় গরু'। 

iii. বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য: যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু জীব হয় মানুষ।' 

iv. বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য: যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে অস্বীকার করে তাকে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু মানুষ নয় জ্ঞানী।'

 

4 views

Related Questions