1 Answers

উদ্দীপকে বেলালকে কোকুন প্রক্রিয়াজাতকরণ ধাপে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। রেশম পোকার জীবনচক্র ডিম, লার্ভা (শূককীট), পিউপা (মূককীট) ও পূর্ণাঙ্গ অবস্থা- এ চারটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। কীড়া বা শূককীট তার মুখে সৃষ্ট লালা দ্বারা জালিকা তৈরি করে জালিকার ভেতর নিজেকে গুটিয়ে নেয়। জালিকা স্তরে স্তরে জমা হয়ে পুরু হয় এবং শূককীট সম্পূর্ণ ভিতরে আবদ্ধ হয়ে পড়ে, একে কোকুন বলে। কোকুন তৈরি হওয়ার পর তা পলু-ডালা থেকে সংগ্রহ করে পাতিলে গরম পানিতে সিদ্ধ করতে হয়, যাতে ভিতরের মূককীট মারা যায়। রেশম পোকা পালনের এই অবস্থাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মূককীট পূর্ণ হওয়ার পর যদি তা সিদ্ধ পানিতে মেরে ফেলা না হয় তা হলে মূককীট কোকুনটির মাথা ছিদ্র করে মথ হিসেবে বের হয়ে আসবে। সেক্ষেত্রে কোকুনটি কাটা হলে এর সমস্ত সুতাই কাটা হয়ে যাবে।

তাই বলা যায়, কোকুন প্রক্রিয়াজাতকরণ ধাপে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন না করলে রেশমি সুতা তৈরিতে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে।

5 views

Related Questions