1 Answers

উদ্দীপকে আজিজ তার চাষকৃত জমিতে বিভিন্ন জাতের সরিষার অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু গাছ দেখতে পেয়েছিলেন। আজিজ তার জমিতে রোগিং করেন। বীজ ফসলের জমি থেকে নির্বাচিত ফসলের জাত ছাড়া অন্য জাতের ফসলের গাছ, একই ফসলের অন্য জাতের গাছ, আগাছা জমি থেকে সরিয়ে ফেলাকে রোগিং বলে। সাধারণত গাছের জীবনকালের তিন অবস্থায় রোগিং করা হয়। যথা-(ⅰ) ফুল আসার আগে, (ii) ফুল আসার সময় ও (iii) পরিপক্ক পর্যায়। বীজে ফুল আসার আগে নির্বাচিত জাতের গাছের সাথে আকার, উচ্চতা ও গঠনে অন্য কোনো গাছের পার্থক্য দেখা গেলে অন্য গাছটি তুলে ফেলে রোগিং করা হয়। এতে জাতের বিশুদ্ধতা রক্ষা পায়। প্রথম পর্যায়ে রোগিং করার সময় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত গাছ শনাক্ত করতে না পারলে ফুল আসার সময় শনাক্ত করে জমি থেকে অপসারণ করা হয়। এক্ষেত্রে ফুলের পাপড়ি, রং ও আকার দেখে অন্য প্রজাতি শনাক্ত করা যায়। আবার পরিপক্ক পর্যায়ে নির্বাচিত ফসলের সাথে অন্য গাছের পার্থক্য দেখা গেলে রোগিং এর মাধ্যমে বিশুদ্ধ বীজ উৎপাদন করা যায়।

উল্লিখিত উপায়ে আজিজ রোগিং এর মাধ্যমে তার ফসলের জমি থেকে বিশুদ্ধ সরিষার বীজ উৎপাদন করেছেন।

4 views

Related Questions