1 Answers
উদ্দীপকে আজহার আলীর শেষোক্ত কার্যক্রমটি হলো জলাধারে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
আমাদের দেশে ভূ-পৃষ্ঠস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে সেচ দেওয়া হয়। কিন্তু উত্তরাঞ্চলে খরার সময় ভূপৃষ্ঠস্থ পানি শুকিয়ে যায়। এ অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির গভীরতা কম বলে সেচ দেওয়া যায় না। ফলে খরার সময় সেচের অভাবে ফলন ব্যাহত হয়। এ সমস্যা দূরীকরণে আজাহার আলী উন্নত সেচ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য তিনি পানি সংরক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আমাদের দেশে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ফলে নদী, খাল, বিল, হাওর, ডোবা ও নালা পানিতে ভরে যায়। অনেক সময় বন্যাও দেখা দেয়। এ অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার করা গেলে সেচের পানির অভাব দূর হয়। আজাহার আলী নতুন ডোবা, নালা খনন করে ও পুরাতন ডোবা, নালা, খাল, বিল সংস্কারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করেন। এজন্য তিনি মুইস গেট নির্মাণ করে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। জলাশয়ে কচুরিপানা ও লতাপাতা জন্মিয়ে তিনি বাষ্পীভবন হ্রাস করেন। ডোবায় ও নালায় বৃষ্টির পানির সাথে সাথে কাদামাটি এসে জমা হয়। ফলে ডোবা ও নালার গভীরতা কমে যায়। এ জন্য তিনি ডোবা ও নালার গভীরতা বাড়িয়ে বেশি পানি সংরক্ষণ করতে পারেন।
অর্থাৎ, কৃষি কর্মকতার পরামর্শ অনুযায়ী আজাহার আলী উপরে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেন যা অত্যন্ত সময়োপযোগী।