1 Answers

সমাজস্থ মানুষের ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ করায় সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান বলা হয়। 

সমাজবিজ্ঞান সমাজ কাঠামো তথা ব্যক্তি, গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভূমিকা, কার্যাবলি সম্পর্কে পঠন-পাঠন ও গবেষণা করে। এছাড়াও সমাজের শ্রেণিবিন্যাস, শ্রেণিগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক, উৎপাদন যন্ত্রের সাথে তাদের সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় নিয়েও আলোচনা করে। অর্থাৎ, সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও সমাজ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় ও তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ করে থাকে। এজন্যই সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান বলা হয়।

15 views

Related Questions