1 Answers

শরিয়ত ও তাসাউফের মধ্যে আব্দুল আলী বয়াতি যেসব অমিল খুঁজে পেয়েছেন তা হলো বিধানগত, পরিণামগত ও পদ্ধতিগত।

তাসাউফ ও শরিয়তের মধ্যে যেমন মিল রয়েছে তেমনি অমিলও কম নেই। এ অমিল কার্যকারিতা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে। এ বৈসাদৃশ্য তাসাউফ ও শরিয়তকে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত করায় না। যেমন- কেউ শরিয়ত অস্বীকার করলে তাকে কাফির বলা যায়; কিন্তু কেউ তাসাউফ অস্বীকার করলে কাফির বলা যায় না। তাসাউফ হলো আত্মার বিধান। পক্ষান্তরে শরিয়ত হলো ইসলামের বাহ্যিক বিধি-বিধান। তাসাউফে যে হুকুম পালনের নির্দেশ দেওয়া হয় তা দৃশ্যমান নয়। কিন্তু শরিয়তে যে নির্দেশ দেওয়া হয় তা প্রত্যক্ষ। শরিয়ত ব্যক্তির বাহ্যিক মুসলমানিত্ব প্রকাশ করে। কিন্তু তাসাউফের ক্ষেত্রে এমন কোনো ব্যাপার নেই।

ইছাপুরের স্কুল মাঠে আব্দুল আলী বয়াতি বলেন, শরিয়ত ও মারেফত তথা তাসাউফ ভিন্ন ভিন্ন বিষয়। সুতরাং বলা যায়, আব্দুল আলী বয়াতি ওপরের উল্লিখিত শরিয়ত ও তাসাউফের অমিলগুলো খুঁজে পেয়েছেন। তাই তার এ বক্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions