1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হচ্ছে সামাজিক অসমতা।'

সামাজিক অসমতা বলতে প্রাতিষ্ঠানিক অসমতাকেই বোঝায়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সমাজে বসবাসরত দুই বা ততোধিক জনগোষ্ঠী মর্যাদা, শ্রেণি, বর্ণপ্রথা এবং লিঙ্গের ভিত্তিতে একে অন্যের থেকে পৃথক। যখন একটি গোষ্ঠীর সাথে অন্য একটি গোষ্ঠীর তুলনা করা হয় তখন তাদের মাঝে সুযোগ-সুবিধা, দান-অনুদান, বিধি-নিষেধ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তাই হচ্ছে সামাজিক বৈষম্য। সমাজে বিভিন্ন প্রকার অসমতা দেখা যায়। যেমন- লিঙ্গভিত্তিক অসমতা। লিঙ্গ সামাজিক অসমতার অন্যতম নির্ধারক। পুরুষ ও নারীর লিঙ্গ ভেদাভেদের দোহাই দিয়ে সমাজ নারী-পুরুষের সম্পর্কে অসমতা সৃষ্টি করেছে। বয়সভেদেও সামাজিক অসমতা তৈরি হয়। বয়সভিত্তিক অসমতা প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট মনে হলেও এর পেছনে শক্তিশালী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণ রয়েছে। আবার, ক্ষমতা, সম্পত্তি, মালিকানা, প্রতিপত্তি, মর্যাদা ইত্যাদির ভিত্তিতেও সামাজিক অসমতা তৈরি হয়। ক্ষমতার মাত্রার ওপর মানুষ বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত হয়।

উদ্দীপকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, বিশ্বের মাত্র ৯৮ জন মানুষ পৃথিবীর অর্ধেক সম্পদের মালিক। অর্থাৎ উদ্দীপকটি সামাজিক অসমতাকেই নির্দেশ করে। আর এই অসমতা সমাজে বিভিন্ন প্রকার যয়ে থাকে। যা উপরের আলোচনায় তুলে ধরা হয়েছে।

7 views

Related Questions