1 Answers

সীমু ও তার বাবা-মার নাটক উপভোগ করা অবস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত।

সংস্কৃতির যে অংশ অদৃশ্য তথা উপলব্ধির ওপর নির্ভরশীল তাই অবস্তুগত সংস্কৃতি। আবার যখন সংস্কৃতিকে সাধারণভাবে ব্যাখ্যা করা হয় তখন তাকে মূলত অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে। অবস্তুগত সংস্কৃতি বিশেষত মানুষের সহজাত প্রকৃতির প্রতিফলন ঘটায়। যেমন-মানুষের বিশ্বাস, ভাষা, মূল্যবোধ, গুণাবলি, অভ্যাস, আচার-আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি। আমরা কি করছি, কি অনুভব করছি, কি চিন্তা করছি- সবই অবস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও ধর্ম, ভাষা, শিল্প, সাহিত্য, রাজনৈতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠনও অবস্তুগত সংস্কৃতির অংশ। অবস্তুগত সংস্কৃতি অপেক্ষাকৃত ধীরগতিতে চলে এবং সহজে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় না। অবস্তুগত সংস্কৃতির অবদান সাধারণ মানুষ সহজে উপলব্ধি করতে পারে না এবং সংস্কৃতির এই উপাদানটিকে অর্জন করে নিতে হয়। এ ছাড়াও অবস্তুগত সংস্কৃতি বলতে মানুষের সব বিমূর্ত সৃষ্টিকে বোঝায়। 

উদ্দীপকের সীমু তার বাবা-মার সাথে ঢাকা মহিলা সমিতির নাট্যমঞ্চে নাটক উপভোগ করে। নাটক উপভোগ করা বিমূর্ত বিষয়। তাই সীমু ও তার বাবা-মায়ের নাটক উপভোগ করাকে অবস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

7 views

Related Questions