1 Answers
উদ্দীপকের জনাব শফিকুর রহমানের কর্মকাণ্ডগুলো ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
মানুষ আল্লাহর বান্দা হিসেবে এবং তাঁরই প্রতিনিধি হিসেবে একমাত্র তাঁরই ইবাদত করে থাকে। তবে ইবাদত বলতে শুধু আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত কাজ সম্পাদন করাকে বোঝায় না। বরং সমাজের প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার আদায় করা। একজনের দুঃখে অন্যজন সাড়া দেওয়া। আপদে-বিপদে একে অপরকে সহযোগিতা করা। কেউ অসুস্থ হলে তার সেবা করা। কারো আমানত খেয়ানত না করা- প্রত্যেকটি কাজই ইবাদত এবং শরিয়তের দৃষ্টিতে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। উদ্দীপকেও এ সমস্ত কর্মকাণ্ডের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের জনাব শফিকুর রহমান সাহেব একজন রিকশাচালক। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ইসলামের বিধিবিধান মেনে চলেন। কেউ অসুস্থ হলে তিনি তার রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এছাড়া একদা তিনি এক জনৈক যাত্রীর ফেলে যাওয়া ব্যাগে পাঁচ লাখ টাকা পাওয়ার পরেও সেটি আত্মসাৎ না করে টাকার মালিককে টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। শফিকুর রহমানের কর্মকাণ্ডে অসুস্থ ব্যক্তিকে সেবা করা এবং আমানতের খেয়ানত না করার যে ইবাদত সেটির প্রকাশ ঘটেছে।
ওপরের আলোচনায় বলা যায়, অসুস্থ রোগীর সেবা করা, আমানতের খেয়ানত না করা ইসলামি শরিয়তে প্রশংসনীয় কাজ। আর যেহেতু শফিকুর রহমানের কর্মকাণ্ডে এ সমস্ত কাজেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তাই জনাব শফিকুর রহমানের কর্মকাণ্ডগুলো ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে প্রশংসনীয়।