1 Answers

শিক্ষক জনাব শামীমের উক্তিটি যথার্থ এবং বাস্তবসম্মত। সাওম প্রত্যেক মানুষকে ধৈর্য নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলার মহান শিক্ষা দেয়। সাওম পালনের নিয়মকানুন মানুষের সার্বিক জীবনে প্রভাব ফেলে। যা শিক্ষকের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।

জাভেদের মায়ের ধারণা রমজানের রোজা রাখলে জাভেদের শরীর দুর্বল হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়বে। কিন্তু শিক্ষকের বক্তব্য হলো সাওম পালন করলে মানুষ অসুস্থ হয় না বরং এতে শরীর আরও বেশি সুস্থ থাকে। কারণ সাওম মানুষকে নিয়মিত ও পরিমিত আহারের শিক্ষাদান করে। এছাড়া এক মাসের সিয়াম সাধনা তার পাকস্থলীকে আরও বেশি কর্মক্ষম করে তোলে। এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, সাওম মানুষের শরীর থেকে বাড়তি মেদ, চর্বি ও রস কমিয়ে তাকে সুস্থ ও সবল করে তোলে। পেটের অনেক পীড়া এবং শারীরিক ব্যায়ামের জন্য সাওম খুবই কার্যকর। জাভেদের মায়ের ধারণা হলো জাভেদ এমনিতে নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে নেই সাওম পালন করলে তা আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। শিক্ষক তাঁর এ ধারণাও ভুল প্রমাণ করলেন, তিনি বলেন, সাওম বরং রোজাদারকে সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতার প্রশিক্ষণ দেয়। কারণ সময়ের কাজ সময়ে সম্পন্ন করা এবং নিয়ম মেনে সম্পন্ন করার এক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা হলো সাওম, এ সময়ে ব্যক্তি যথাসময়ে সাহরি ও ইফতার করে। সাওম পালনের প্রতিটা মুহূর্তে প্রয়োজনীয় বিধান পালন করে। তার খাওয়া, সালাত, ঘুমানো প্রভৃতি সব কিছুতেই পরিপূর্ণ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত। এতে ব্যক্তি সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতার প্রশিক্ষণ পায়।

4 views

Related Questions