1 Answers
উদ্দীপকের ইঞ্জিনিয়ারের বক্তব্য হার্বার্ট স্পেন্সারের সামাজিক বিবর্তন মতবাদের জৈবিক সাদৃশ্য তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
হার্বাট স্পেন্সারের জৈবিক সাদৃশ্যমূলক মতবাদের মূল বক্তব্য হলো, জীবজগতের সাথে মানবসমাজের কাঠামোগত সাদৃশ্য বিদ্যমান। সুতরাং জীবজগতের ক্ষেত্রে যে তত্ত্ব সত্য প্রতিপন্ন হয়, মানবসমাজের ক্ষেত্রেও তা সমভাবে প্রযোজ্য। তার মতানুসারে জীবজগতে এককোষ বিশিষ্ট প্রাণীর মধ্যেই সর্বপ্রথম প্রাণের উন্মেষ ঘটে। গঠনগত দিক থেকে এই এককোষী প্রাণী ছিল অত্যন্ত সহজ-সরল ধরনের। ঠিক তেমনি প্রাচীনকালের আদিম সমাজে ছোট ছোট দল বা গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে মানুষ বসবাস করত। কালক্রমে বিবর্তনের ফলশ্রুতি হিসেবে জীবজগতের ক্ষেত্রে কাঠামো ও কার্যগত পরিবর্তন ঘটেছে, বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়েছে, জটিলতা দেখা দিয়েছে। সেভাবে মানুষের সমাজজীবনের পরিবর্তনে বিভিন্নতা ও জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্দীপকের জামাল রড, সুরকি, সিমেন্ট, বালু, পানি মিশিয়ে পিলার তৈরি করে। তখন ইঞ্জিনিয়ার বলেন, এই বস্তুগুলোর প্রতিটির নিজস্ব শক্তি রয়েছে। তেমনি মানবদেহ বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি। এই প্রত্যেকটি উপাদানের রয়েছে আলাদা শক্তি। সমাজবিজ্ঞানী হার্বার্ট স্পেন্সার এই মানবদেহের সঙ্গে তুলনা করে তার জৈবিক সাদৃশ্য তত্ত্ব প্রদান করেছিলেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের তত্ত্বটি জৈবিক সাদৃশ্য তত্ত্বের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।