উদ্দীপকের কাইয়ুম সাহেবের পরীক্ষা করার পদ্ধতি সম্পর্কে তোমার ধারণা উপস্থাপন করো। (উচ্চতর দক্ষতা)
1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে নির্দেশ করছে বলে আমি মনে করি।
যে যৌক্তিক পদ্ধতিতে সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিষয়াবলি বর্ণনা, ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সাধারণ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয় তাই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে ধারাবাহিক, বস্তুনিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আহরিত ফলাফল যাচাইকৃত, নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল ও কষ্টসাপেক্ষ। গবেষণার ক্ষেত্রে যে বিজ্ঞানিভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে তার কয়েকটি প্রধান পর্যায় রয়েছে। যেমন সমস্যা নির্বাচন, পর্যবেক্ষণ ও তথ্যসংগ্রহ, তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস, কল্পনা বা প্রকল্প প্রণয়ন, সত্য যাচাই বা সাধারণীকিকরণ ও ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করা। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সর্বপ্রথম একটি সমস্যা নির্বাচন করে তারপর পর্যবেক্ষণ, তথ্যসংগ্রহ, তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস, ও প্রকল্প প্রণয়ন করে। উক্ত পর্যায় শেষ করে পূর্বে অনুমিত প্রকল্পের সত্যতা যাচাইয়ের পর সাধারণীকরণ ও ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত মারিয়া প্রথমে একটি সমস্যা নির্ণয় করেছিল যেমন সব খাদ্যদ্রব্য সিদ্ধ করলে নরম হয় না। যা প্রমাণ করার জন্য মারিয়া ও তার স্বামী আব্দুল কাইয়ুম যুক্তিপূর্ণ পরীক্ষা ও কার্যকারণ নির্ণয়ের মাধ্যমে তা প্রমাণ করেছে এবং সর্বশেষে একটি সাধারণীকরণ করেছে। যেমন প্রোটিন জাতীয় খাবার সিদ্ধ করলে শক্ত হয় এবং শর্করা জাতীয় খাবার সিদ্ধ করলে নরম হয়।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকেই নির্দেশ করা হয়েছিল।