1 Answers
উদ্দীপকে উল্লেখিত মুসলিম পণ্ডিতদের সাধনা ইসলামি শরিয়ার বিভিন্ন হুকুম আহকাম প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। মহানবি (স) এর জীবদ্দশায় যেকোনো সমস্যা ওহি নাজিলের মাধ্যমে আল্লাহ পাক সমাধান করে দিতেন। কিন্তু নবি (স) এর ইন্তেকালের পর কুরআন নাজিলের ধারার পরিসমাপ্তি ঘটে। তখন উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য ফিকহশাস্ত্র উদ্ভাবনের প্রয়োজন পড়ে। আবার কুরআন-সুন্নাহর বিধান পালন করা সবার জন্য অপরিহার্য। কিন্তু সাধারণ মানুষের পক্ষে কুরআন-সুন্নাহ থেকে বিধান বের করে আমল করা অসম্ভব। তাই মুসলিম পণ্ডিতদের মাধ্যমে ফিকহশাস্ত্রের উৎপত্তি হয়। এতে মতামতের ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন মাযহাব সৃষ্টি হয়। এ কথাই উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত মুসলিম পণ্ডিত বলতে মুজতাহিদদের বোঝানো হয়েছে যারা উদ্ভাবিত নতুন নতুন সমস্যার শরয়ি সমাধান দিতেন। কিন্তু নানা বিষয়ে মুজতাহিদদের মধ্যে মতৈক্য না হওয়ায় সৃষ্টি হয় | মাযহাব। আর এভাবে পৃথিবীতে প্রধানত চারটি মাযহাবের প্রসার ঘটে। যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য শরিয়ত তথা কুরআন- সুন্নাহর বিধান পালন করা সহজ হয়েছে।
সুতরাং উপরের আলোচনার আলোকে বোঝা যায়, ইসলামি আইন কানুন সহজে বোধগম্য ও পালন করার পেছনে মুসলিম পণ্ডিতগণের ভূমিকা রয়েছে।