1 Answers

ইমাম সাহেব আফতাবের কিয়াসকে বৈধ নয় বলে মন্তব্য করার কারণ হলো তার কিয়াসের আছল নির্দিষ্ট না হওয়া। কিয়াস সম্পাদনের জন্য ইমামগণ কতগুলো শর্তারোপ করেছেন। এ শর্তগুলো পূরণ না হলে কিয়াস গ্রহণযোগ্য হবে না। এ শর্তগুলোর একটি হলো আছল নির্দিষ্ট না হওয়া। ইমাম সাহেবের বক্তব্যে এ বিষয়টির ইঙ্গিত সুস্পষ্ট।

আছল হলো মূলবিধান। অর্থাৎ যার ওপর ভিত্তি করে কিয়াস করা হবে। এ বিষয়টি কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা জাতির জন্য নির্দিষ্ট হতে পারবে না। যেমন- শরিয়তের কোনো ঘটনা প্রমাণের জন্য ন্যূনতম দুজন পুরুষের সাক্ষ্য প্রয়োজন। কিন্তু একটি বিশেষ 'কারণে রাসুল (স) হযরত খোযায়মা (রা)-এর একক সাক্ষ্যকেই দু'জনের স্থলাভিষিক্ত করে দিয়েছেন। প্রথমত এ বিষয়টির ওপর কিয়াস করা যাবে না। কেননা এটি হযরত খোযায়মা (রা)-এর জন্য নির্দিষ্ট। কিন্তু আফতাবের কিয়াসে এ বিষয়টি লক্ষণীয়। আফতাব মাহতাবের কাছে দু'লক্ষ টাকা আমানত রাখে। নির্দিষ্ট সময়ে আফতাব তা ফেরত চাইলে মাহতাব টাকা রাখার কথা অস্বীকার করে। বিষয়টি ফায়সালার জন্য ইমাম সাহেব আফতাবের কাছে সাক্ষী তলব করেন। তখন আফতাব হযরত খোযায়মা (রা)-এর একক সাক্ষ্যের ভিত্তিতে একজন সাক্ষী উপস্থাপন করেন। কিন্তু একক সাক্ষ্য শুধু খোযায়মা (রা)-এর জন্য নির্দিষ্ট হওয়ায় এর ওপর কিয়াস করা বৈধ নয়। এ কারণে ইমাম সাহেব আফতাবের কিয়াসকে বৈধ নয় বলে মন্তব্য করেন।

 

6 views

Related Questions