1 Answers
আরিফ কিয়াসের রুকনের দিকটি উপস্থাপন করেছে। কিয়াস যে উপাদানগুলোর ভিত্তিতে অস্তিত্ব লাভ করে সেগুলোকে কিয়াসের রুকন বা ভিত্তি বলে। কিয়াসের রুকন চারটি। যথা- আছল, ফরয়া, ইল্লত ও হুকুম। আরিফ উদাহরণের মাধ্যমে কিয়াসের এ চারটি বিষয়ই উপস্থাপন করেছে। কুরআন মাজিদে আল্লাহ তায়ালা মদকে হারাম ঘোষণা করেছেন। কিন্তু উদ্দীপকে উল্লিখিত ইয়াবা সম্পর্কে সেখানে সরাসরি কিছু বলা নেই। এক্ষেত্রে কিয়াসের মাধ্যমে ইয়াবাকেও হারাম বলা যায়। উদ্দীপকের আরিফ সে বিষয়টি উপস্থাপন করেছে। এক্ষেত্রে প্রথম বিবেচ্য রুকনটি হলো আছল বা মূল বিধান। পবিত্র কুরআনে ঘোষিত মদ হারামের বিষয়টিই হলো আছল।
এখন ইয়াবা হারাম কি না এ সম্পর্কিত সমস্যাটি যেহেতু কুরআন- হাদিসে সরাসরি নেই, সেহেতু এটি হলো ফরয়া বা শাখা বিধান। কিয়াসের তৃতীয় রুকন ইল্লতের মাধ্যমে কারণ বা যুক্তি অনুসন্ধান করা হয়। এক্ষেত্রে ইল্লত হলো মদের মতো ইয়াবার মাদকতা সৃষ্টির অভিন্ন গুণ বা বৈশিষ্ট্য। এই যুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ইয়াবাকে মদের ন্যায় হারাম বলা চলে। আর এই বিধানটি হলো কিয়াসের চতুর্থ রুকন হুকুম। উদ্দীপকের আরিফ এই চারটি ভিত্তি বা রুকনের কথাই উপস্থাপন করেছে।