1 Answers
পান্নার দাদা ছোট মাছ সংরক্ষণে শুঁটকিকরণ পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন। ছোট মাছ যেমন- চান্দা, পুঁটি, মলা, ঢেলা, ট্যাংরা, চেলা ইত্যাদি আমাদের দেশে শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ায় এ পদ্ধতিতে শুকানো হয়। আশ্বিন-কার্তিক মাস থেকে চৈত্র-বৈশাখ মাস পর্যন্ত এ পদ্ধতিতে মাছ শুকানো হয়।
ছোট মাছের ক্ষেত্রে সাধারণত মাছের আঁইশ, নাড়িভুঁড়ি ইত্যাদি ফেলা হয় না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আঙ্গুল দ্বারা টিপে পেট থেকে নাড়িভুঁড়ি বের করা হয়। প্রথমে মাছগুলোকে পরিষ্কার পানিতে ধুইয়ে চাঁটাই কিংবা মাদুরের উপর বিছিয়ে রৌদ্রে শুকাতে দেওয়া হয়। পরিষ্কার মাছকে ১০% লবণ পানিতে ১৫-২০ মিনিট রাখা হয় যাতে • সংরক্ষণকালে জীবাণু না ধরে। এরপর মাটি থেকে ০.৫-১.০ মিটার উচ্চতায় বাঁশের মাচা তৈরি করে তার ওপর চাটাই বিছিয়ে মাছগুলোকে চাটাইয়ের উপর ছড়িয়ে দেয়া হয়। সাধারনত ৩-৫ দিনের মধ্যে মাছ শুঁটকিকরণ সম্পন্ন হয়। মাছ শুকানোর সময় বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়, কীটপতঙ্গ বা পাখির আক্রমণ থেকে রেহায় পাবার জন্য পলিথিন বা জালি ব্যবহার করা হয়। যখন রোদে শুকানো মাছ চাপ দিলে ভেঙ্গে যাবার মতো হয় তখন শুঁটকিকরণ হয়েছে বলে ধরা হয়। উদ্দীপকের পাল্লার দাদা উপরিউন্ত পদ্ধতিতেই শুঁটকিকরণ করে ছোট্ট মাছ সংরক্ষণ করেন।