1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত রপ্তানিযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য সম্পদটি হলো বাগদা চিংড়ি।
বাগদা চিংড়ি ভাইরাসজনিত সাদা দাগ রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। এছাড়া এদের কালো ফুলকা রোগ, খোলস নরম রোগ, খোলসে সবুজ শেওলা জমা রোগ, ক্যারাপেস ও শরীরের উপর পাথর জমা ইত্যাদি দেখা দেয়। এ সকল রোগ দমনে কিছু ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করা যায়, তা হলো-

১. রোগমুক্ত চিংড়ির পোনা ব্যবহার করতে হবে।

২. বিদেশ বা কালোবাজারি থেকে আনা চিংড়ির পোনা রোগমুক্ত কিনা তা নিশ্চিত না হয়ে পোনা মজুদ করা যাবে না।

৩. রোগাক্রান্ত খামারে ব্যবহৃত জাল বা প্রাসঙ্গিক উপকরণ কড়া রোদে ভালো করে শুকিয়ে অন্য খামারে বা পুকুরে ব্যবহার করতে হবে।

৪. আধা নিবিড় এবং উন্নত সনাতন পদ্ধতিতে চাষ ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে হবে।

৫. চিংড়িকে শুধুমাত্র পরিমিত পরিমাণ সুষম খাদ্য প্রয়োগ করতে হবে।

৬. রোগাক্রান্ত খামারের পানি যেন ভালো খামারে না যায় সেইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৭. চাষকালীন সময়ে ঘন ঘন পানি পরিবর্তন করতে হবে।

৮. পুকুর প্রস্তুতির সময় তলদেশের কাদামাটি তুলে ভালোমতো শুকিয়ে চুন বা ব্লিচিং পাউডার দিতে হবে।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাগদা চিংড়ি চাষের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভের জন্য সঠিক পদ্ধতিতে রোগ ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন।

4 views

Related Questions