1 Answers
একজন মুসলমান হিসেবে ব্যবসার ক্ষেত্রে রুস্তমের সততা ও বিশ্বস্ততার পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যবসায়ের সম্পৃক্ততা খুব বেশি। মূলত ব্যবসা হলো জীবিকা উপার্জনের সেই বিশেষ পদ্ধতি যার মাধ্যমে ব্যক্তি আল্লাহ্ দেওয়া অঢেল নিয়ামত প্রয়োজন মতো উৎপাদন ও বিপণনের সুযোগ পায়। রুস্তম আলীও পেশা হিসেবে এ পদ্ধতিই গ্রহণ করেছে।
জীবিকা উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে মহানবি (স) এবং খুলাফায়ে রাশিদার সব সদস্যের ব্যবসায় সম্পৃক্ততার কথা জানা যায়। এ কারণেই রুস্তুম ব্যবসাকে নিজের পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে। তবে মুসলমান হিসেবে এক্ষেত্রে তাকে রাসুল (স) এবং খুলাফায়ে রাশিদাগণের নীতিই অনুসরণ করতে হবে। তাঁরা সততার সাথে ব্যবসা করতেন। কারণ অসৎ ব্যবসা, ওজনে কম দেওয়া, পণ্যে ভেজাল দেওয়া বা অন্য কোনোভাবে ভোক্তাদের ঠকানো ইসলামে হারাম। মহানবি (স.) সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, “যে প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।” তাই মুসলিম হিসেবে রুস্তমের উচিত পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও ভোক্তার কাছে অর্পণের প্রতিটি পর্যায়ে সৎ এবং বিশ্বস্ত থাকা।