1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা গবেষণার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (Scientific Method) অবলম্বন করেছে।

বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের যুক্তিকে বলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। অর্থাৎ, কোনো বিষয়ের বিজ্ঞানসম্মত অনুসন্ধানের যুক্তিসংগত উপায়ই হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। গবেষক বা বিজ্ঞানী কোনো সত্য অনুসন্ধানে এই পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে অগ্রসর হয়ে থাকেন। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে সমাজবিজ্ঞানী আর. টি. শেফার বলেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো ধারাবাহিক ও সংগঠিত কতগুলো ধাপ যা কোনো সমস্যা অনুসন্ধানে সর্বোচ্চ বস্তুনিষ্ঠতা (Objectivity) ও সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মূলত প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিষয়কে যৌক্তিক ও সুনির্দিষ্টভাবে বিশ্লেষণ করেন। এক্ষেত্রে তাদের কিছু পদ্ধতি বা ধাপ অনুসরণ করতে হয় যথা: সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সমস্যার স্বরূপ নির্ধারণ, সমস্যা সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ ও পঠন, সংগৃহীত তথ্যাদি সংগঠিতকরণ প্রভৃতি।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা "ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহের প্রতি কমলগঞ্জ গ্রামের মানুষের মনোভাব" এই বিষয়কে গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নিল। এ পর্যায়ে তারা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, সমস্যা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ভবিষ্যদ্বাণী করে গবেষণা শেষ করল। শিক্ষার্থীদের এ গবেষণা পদ্ধিতিটি পাঠ্যবইয়ে আলোচিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের শিক্ষার্থীরা গবেষণার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে।

5 views

Related Questions