1 Answers
সুরা আলে ইমরানের ১১০নং আয়াতের তাৎপর্য অনুধাবন করতে পেরেই সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাসমিন আল্লাহর নির্দেশ পালনে ব্রতী হয়। বাণীটিতে মুসলিম জাতিকে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মাত ঘোষণা করে তাদের আবির্ভাবের কারণ বলে মানবজাতির কল্যাণসাধনকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কেননা, মন্দকাজ পরিহার করে ভালো কাজের অনুশীলন ছাড়া মানবকল্যাণ সাধন কোনোমতেই সম্ভব নয়। ভালো কাজের পাশাপাশি মন্দ কাজও চলতে থাকলে মানবকল্যাণ সাধন সম্ভব হবে না। একারণেই শুধু নিজে অসৎকাজ পরিহার করে সৎকাজের অনুশীলন করলে চলবে না বরং আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী অপরকেও সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করতে হবে। এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা বলেছেন- "তোমাদের মধ্যে এমন একদল লোক হোক যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে, তারাই সফলকাম" [সূরা আলে- ইমরান, ১০৪]। ইবাদত সম্পাদনের পাশাপাশি এ নির্দেশ সুষ্ঠুভাবে পালিত না হলে মানুষের আবির্ভাবের মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। আর এ ব্যর্থতা থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে আমাদের প্রত্যেকের অবশ্য পালনীয় কর্তব্য হলো অবস্থাভেদে একে অপরকে অসৎকাজ থেকে বিরত রেখে সৎকাজের আদেশও অনুশীলনে আত্মনিয়োগ করা। সুতরাং বলা যায়, এ দুটি কাজের আদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করতে পারলে ইহকাল ও পরকালে সফলতা অবধারিত।