1 Answers
জাহিনের পিতা-মাতা সন্তানের প্রতি সঠিকভাবে দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করেছেন। প্রত্যেক সন্তানই জন্মের পর থাকে অসহায়। পিতামাতা ব্যতীত সামান্য কিছু করাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। শিশু সন্তানের প্রস্রাব- পায়খানা সবকিছু মা পরিষ্কার করেন। শিশুরা মায়ের বুকের দুধ পান করে বেঁচে থাকে। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন- মায়েরা তাদের সন্তানদের পূর্ণ দু'বছর দুধ পান করাবেন। (সুরা বাকারা : ২৩৩)
সন্তানেরা আস্তে আস্তে যখন বড় হতে থাকে তখন তাদের লালন- পালন ও ব্যয়ভার বহন পিতা-মাতাই করে থাকে। সন্তানকে উত্তম শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে পিতা-মাতাই সহায়ক। সন্তানেরা তাদের প্রাথমিক ও মৌলিক শিক্ষা পরিবারেই পেয়ে থাকে। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি পিতা-মাতাই গড়ে দেয়। মাতার ভূমিকা এত বেশি, যে কারণে রাসুল (স) বলেন, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত।
উদ্দীপকের জাহিনের পিতা-মাতাও তার প্রতি কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হয়েছে। পিতা-মাতার কাছ থেকে বুনিয়াদি শিক্ষাপ্রাপ্তি সন্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। জাহিনের পিতা-মাতা তাদের এ অধিকার পূরণের জন্য স্কুলে ভর্তি করার পূর্বেই ইসলামের বুনিয়াদি শিক্ষা প্রদান করেছেন। এছাড়া অক্ষরজ্ঞান দান ও বিভিন্ন মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। এতে সন্তানের প্রতি পিতামাতার অবদান সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।