1 Answers

হামিদের কাজ ও উক্তিটি ইমানের পরিপন্থি। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, হামিদ ইসলামি শিক্ষাকে তুচ্ছ- তাচ্ছিল্য করে বলে- ইসলামি শিক্ষা প্রগতিশীল ও যুগোপযোগী নয়। তার বক্তব্য কিছুতেই সংগত নয়। কারণ ইসলামি শিক্ষা কুরআন-হাদিসের শিক্ষা। আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসুল (স) প্রদর্শিত শিক্ষা। একে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা কোনো ইমানদারের কাজ নয় বরং ইমানদারের কাজ হলো ইসলামি শিক্ষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। আল্লাহ তায়ালা বলেন- যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশনাবলিকে সম্মান করে, প্রতিপালকের নিকট তার জন্য তার প্রতিদান হবে উত্তম। (সুরা হাজ: ৩০)

ইসলামি শিক্ষার স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে হামিদের সঠিক ধারণা না থাকার কারণে সে এ কথা বলেছে। ইসলামি শিক্ষা সর্বযুগের, সর্বকালের। মানুষের জীবনের উন্নতি ও অগ্রগতির সার্বিক দিক নির্দেশনা রয়েছে এ শিক্ষায়। এ শিক্ষা সকল বিবেচনায়ই যুগোপযোগী। কুরআন ও হাদিসে সকল যুগের প্রধান সমস্যাবলির কল্যাণকর সমাধান দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া যেসব ক্ষুদ্র সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসে পাওয়া যায় না, সেসব সমস্যা সমাধানের জন্য রয়েছে ইজমা ও কিয়াস। অর্থাৎ প্রত্যেক যুগের চাহিদা অনুযায়ী মানুষের প্রয়োজনীয় সকল বিষয় এ শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং ইসলামি শিক্ষা যুগোপযোগী এবং হামিদের উক্তিটি ইসলাম পরিপন্থি।

4 views

Related Questions