1 Answers

জয়নাল আবেদীন সাহেব কর্তৃক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সাথে ইসলাম শিক্ষার বুনিয়াদি ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মক্তব এর মিল রয়েছে। মক্তবে নিরক্ষর শিক্ষার্থী অক্ষরজ্ঞান লাভ করে তার শিক্ষাজীবন শুরু করে। এ জ্ঞান তার সকল জ্ঞানের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে। অক্ষর চেনা, ইমানের ধারণা ও ইসলামের মৌলিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান এখানেই দেওয়া হয়।

ছোট ছেলে মেয়েদের মানসিক বিকাশে মক্তব ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। এটি ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়াবলি শিক্ষা দেওয়ার এক আদর্শ স্থান। এখানে শিশুদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এটি শিশুর প্রথম পাঠশালা। এখান থেকেই ভবিষ্যতের জন্য ভালো কিছু করার এবং বড় হবার প্রেরণা পায়। তার মধ্যে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। সে নিজেকে যোগ্য ও প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে। এখানে শিক্ষার্থীকে ইমান শিক্ষা দেয়। পাশাপাশি ইমানের দাবি অনুযায়ী ইবাদতে অভ্যস্ত হওয়ার প্রয়োজনীয় শিক্ষা এখানেই দেওয়া হয়, এখান থেকেই সে চিনতে শিখে ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা, ভালোমন্দ এবং ইসলামি সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক। এ মক্তবের শিক্ষা শিশুকে শৈশবেই নীতিবান করে তোলে। ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দিক অজু, গোসল, নামাজ, রোজা প্রভৃতির শিক্ষা যেমন এখানে দেওয়া হয় তেমনি  সামাজিক আচরণের বিষয়েও এখানেই সে জানতে পারে। মূলত পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশে মক্তব শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions