1 Answers
জিসান ও জিতুকে লাভজনক খামার প্রতিষ্ঠার জন্য সঠিকভাবে খামার স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
কোনো একটি খামারের পরিচালনা পদ্ধতি বা পরিকল্পনা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের জন্য নিম্নবর্ণিত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হবে-
i. একটি, খামারে অনেকগুলো উপ-খামার থাকে। তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খামারের উপ-খামার নির্বাচন করতে হবে। যেমন- মাঠ ফসল খামার, উদ্যান ফসল খামার, পশু সম্পদ খামার ইত্যাদি।
ii. খামারের স্থায়ী ও অস্থায়ী ব্যয়ের খাত নির্ধারণ ও মোট ব্যয়ের পরিমাণ হিসাব করতে হবে।
iii. খামারের কোন উৎস থেকে কী পরিমাণ আয় হতে পারে তা নির্ধারণ করতে হবে।
iv. খামারের জমি ও ঘরগুলো পরিকল্পনা অনুসারে সাজাতে হবে যাতে করে উৎপাদনের উপকরণগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়।
V. খামারের বার্ষিক শ্রম পরিকল্পনা তৈরি করে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী শ্রম বণ্টন করতে হবে।
vi. খামারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য সময়ভিত্তিক একটি কর্মপরিচালনা তৈরি করতে হবে যাতে করে খামারে উৎপাদন বৃদ্ধির করণীয় বিষয়সমূহ যথাসময়ে সম্পন্ন করা যায়।
vii. খামারের দৈনন্দিন কার্যাবলি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করে তা তালিকাভুক্ত করতে হবে।
viii. খামারের উৎপাদন কার্যক্রমে কী কী ঝুঁকি আসতে পারে সেগুলো চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ix. খামারে উৎপাদিত পণ্যের সারা বছরের ক্রয়-বিক্রয়ের হিসাব রাখতে হবে।
X. খামারের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় কারিগরি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে।
অর্থাৎ, নিরবিচ্ছিন্নভাবে মুনাফা অর্জনের জন্য দক্ষতার সাথে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খামারের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সুতরাং, জিসান ও জিতুর উল্লিখিত পরিকল্পনা গ্রহণ করলে এ অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে পারবে।