1 Answers
ছকের ৭ জাতের গরুটির উৎপত্তিস্থল ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে, অর্থাৎ গরুটি হরিয়ানা জাতের। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ জাতটি উপযোগী কিনা নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
এ জাতের গরু সাধারণত লাল বর্ণের হয়, তবে হালকা ধূসর বর্ণেরও দেখা যায়। এদের দেহের গঠন বলিষ্ঠ ও আঁটসাঁট হয়। এদের দেহ লম্বা ও উঁচু হয়। এ জাতের গরু বেশ শক্তিশালী ও পরিশ্রমী হয়। একটি পূর্ণবয়স্ক গাভির ওজন ৪০০-৫০০ কেজি এবং ষাঁড়ের ওজন ৮০০- ৯০০ কেজি হয়। সদ্য প্রসূত একটি বাছুরের ওজন হয় ২০-২৫ কেজি। এ জাতের গাভি দৈনিক ৫-৭ লিটার দুধ দেয়। দুধে চর্বির পরিমাণ ৫%।
হরিয়ানা জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাপ সহনশীলতা। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুতে এরা সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এরা খুবই কষ্টসহিষ্ণু এবং প্রধানত শক্তির কাজে ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ গরুরই উৎপাদনক্ষমতা কম, কিন্তু পরিশ্রমী জাত। চাষাবাদ ও ভার বহনের কাজে বেশ উপযোগী। হরিয়ানা জাতের গরুও কৃষিকাজ এবং ভার বহনের জন্য উত্তম। এ জাতের বলদগুলোকে জমি চাষ ও পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, উদ্দীপকের A জাতটি অর্থাৎ হরিয়ানা জাতটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উপযোগী।