#যৌন #মাসিক #মেয়েদের সমস্যা
2005 views

1 Answers

সাধারণত জীবনে কিছু ক্ষেত্রে এমনিতেই অনিয়মিত পিরিয়ড হতে পারে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিত পিরিয়ড হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, যেমন-

১. যদি হটাৎ করে পিরিয়ড বেশি ইরেগুলার হয়ে যায়।

২. পর পর তিন মাস পিরিয়ড না হলে।

৩. যদি পিরিয়ড ২১ দিনের সাইকেলে হয়।

৪. পিরিয়ড সাইকেল ৩৫ দিনের বেশি হলে।

৫. যদি পিরিয়ডে অতিরিক্ত ব্যাথা থাকে বা অনেক বেশি হেভি ফ্লো থাকে।

৬. পিরিয়ড এক সপ্তাহের বেশি থাকলে।

৭. যদি ৪৫ বছর বয়সের আগে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় বা ৫৫ বছর বয়সের পরেও পিরিয়ড হতে থাকে।

মাঝে মাঝে পিরিয়ড একটু আধটু অনিয়মিত হলে তাতে চিন্তার কিছু নেই। তবে পিরিয়ড আমাদের সমাজে একটি ট্যাবু। অনেক মেয়েরাই পিরিয়ড নিয়ে নানান সমস্যায় গোপনে দিনের পর দিন ভুগে যায় কিন্তু কাউকে কিছু বলে না। যার ফলে অনেক সময়ই মারাত্মক বিপদ নেমে আসে। তাই খুব বেশি অনিয়মিত পিরিয়ড হলে বা পিরিয়ড নিয়ে যে কোন কিছু অস্বাভাবিক মনে হলে সাথে সাথে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।

2005 views

Related Questions

মাসিক কি?
3 Answers 5149 Views