3 Answers
একজন শিক্ষক যদি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেঃ
সম্মানিত উপস্থিতি, আসসালামু আলাইকুম।
এখানে উপস্থিত সভাপতি, কমিটিবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকামন্ডলি ও আমার প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের অনুষ্ঠান শুরু করছি আমি ****(উপস্থাপক এর নাম)******।
আজ বিদায়, কিন্তু এই বিদায় বেদনার বিদায় নয়। এই বিদায় শোকের বিদায় নয় বরং এই বিদায় এক সম্ভাবনার বিদায়। এই বিদায় ভবিষ্যৎ লিডারদের নতুন এক জগতে পা দেয়ার বিদায়। আমার পক্ষ থেকে সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।
আজকের বিদায় নিয়ে সম্মানিত উপস্থিতিদের কথা আমরা শুনবো।
সর্ব প্রথম মঞ্চে আসার জন্য অনুরোধ করছি, অত্র বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক জনাব*******(নাম)********।
বক্তব্য শেষে, ধন্যবাদ স্যারকে মূল্যবান বক্তব্য দেয়ার জন্য।
এরপর আহবান করছি অত্র বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র *****(নাম)******।
বক্তব্য শেষে, ধন্যবাদ সাবলিল বক্তব্য দেয়ার জন্য।
এর পর আহবান করবো, বিদায়ী শিক্ষার্থী ******(নাম)******।
বক্তব্য শেষে, ধন্যবাদ সুন্দর বক্তব্য দেয়ার জন্য।
সর্বশেষ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান কিছু কথা বলার জন্য অনুরোধ করবো অত্র বিদ্যালয়ের সম্মানিত সভাপতি জনাব *********(নাম)*********।
বক্তব্য শেষে, ধন্যবাদ স্যারকে তার মূলবান বক্তব্য দেয়ার জন্য।
**************************
মোটামুটি এই হচ্ছে উপস্থাপনা।
চাইলে সভাপতি সাহেব এর বক্তব্যের আগে বা পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীরদের (ফাইল, স্কেল, কলম) বিতরনের পার্টটাও পরিচালনা করতে পারেন।
তারপর অনুষ্ঠান শেষ করবেন।
সবাইকে আবারো শুভেচ্ছা ও সাধুবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করছি। আসসালামু আলাইকুম।
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, মঞ্চে উপস্থিত প্রধান অতিথি এবং অত্র বিদ্যালেয়র প্রধান শিক্ষক মহোদয়, শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী ও আমার প্রাণ প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী ভাই-বোনেরা আস্ সালামু আলাইকুম। অত্যান্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হচ্ছে আজ আমাদের বড় ভাইদের বিদায় অনুষ্ঠান। যদিও আমরা মনে করি এটা একটা বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কারণ মন থেকে চিরতরে বিদায় দেওয়া হয়তো সম্ভব হবে না। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই প্রতিষ্ঠানে পড়েছি। আমরা এখানে ভাই বোনের মত ছিলাম। শিক্ষকেরা আমাদের বাবা-মায়ের মতো ছিলেন। আপনাদের অনুসরণ করে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আপনাদের নিকট আমরা অনেক কিছু শিখেছি। এজন্য আমরা আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। কিন্তু ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও আপনাদেরকে আজ অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। বিদায় সবাইকেই নিতে হবে। ড্যাফোডিল ফুলের মতো সকালে ফোটে, দুপুর গড়াতে না গড়াতেই তা ঝরে পড়ে। মূলত আমাদের জীবনতো খুবই ছোট। এই স্কুল জীবনটা আরো ছোট। শীতের শিশির বিন্দুর মতোই বেলা বাড়ার সাথে সাথেই তা মিলিয়ে যায়। আমরাও খুব শিগগিরই বিদায় নিয়ে আপনাদের পিছু পিছু চলে আসব। মায়া, মমতা আর ভালবাসা নিয়েই আমরা পৃথিবীতে বেঁচে থাকি। তাই আমরা যে পরিবারে, যে সমাজে জীবন যাপন করি, তার প্রতি আমাদের মায়া জন্ম নেয়। আর এই মায়া কাটিয়ে চলে যেতে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলে মানুষ। ভাবুন এই সেদিন আমরা এই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। গুনতে গুনতে ৯টি বছর পার করে ফেলেছি। আজো আমার চোখে ভাসে সেদিনের কথা যেদিন ছোট্ট কচি হাত দিয়ে বাবার হাত ধরে এই স্কুলে এসেছিলাম। আজ শারিরীক ও মানসিক ভাবে আমরা বেড়ে উঠেছি কত তাড়াতাড়ি। এভাবেই বড় হই আমরা। বড় হই আরো বড়। ছড়িয়ে পড়ি দেশে বিদেশে নিজেদের অন্ন সংস্থানের জন্য। পৃথিবী যেহেতু গোলাকার, তাই আমাদের মাঝে আবারো দেখা হয়। দেখা হবে। কথা হবে। এতেই আমরা সন্তুষ্ট থাকি। আজ শিক্ষাজীবনের একটি অধ্যায় সমাপ্ত করে পরের আরেকটি অধ্যায়ে পা রাখার উদ্দেশ্যে আপনারা বিদায় নিচ্ছেন। আপনাদের জন্য আমাদের দোয়া ও আশির্বাদ থাকেব যেন আপনার সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে পদার্পান করতে পারেন। আপনারা যেন ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবনে আরো উন্নতি করে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন। আমরাও আপনাদের চলা পথ ধরে এগিয়ে যেতে চাই। এছাড়া এখানে দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে আপনাদের সাথে আমাদের আচরণ বা ব্যবহারে কোন কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজগুনে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যাই হোক, বিদায়ী মুহূর্তে আর বেশি কিছু বলতে চাই না, এই প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে আপনাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি। - সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আস্ সালামু আলাইকুম।
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম,
মঞ্চে উপস্থিত প্রধান অতিথি এবং
আমার শ্রদ্ধেয় সকল শিক্ষক ও আমার
সামনে উপবিষ্ট সকল শিক্ষার্থীদের
কে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক সালাম
এবং শুভেচ্ছা জানাই। অত্যান্ত দুঃখ ও
ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হচ্ছে আজ
আমাদের বিদায় অনুষ্ঠান।
"তব বিদায়ের প্রান্তরে এসে দাঁড়াতে হয় মোরে বারে বারে" হ্যাঁ সত্যিই আজ এই বিদায় শব্দটি যেন আরো কোন তিন অক্ষরের একটা শব্দ নয়,যেন বুকের উপর একটা পাহাড় চেপে পড়া, আজ সত্যিকারে বুঝতে পারছি বিদায় কি,আর অনুভব করতে পারতেছি এর গভীরতা,আজ এমন একটি দিন যেদিন এ বিদায় দিতে হবে আমাদের প্রাণপ্রিয় বড় ভাই-বোনদের, ভুলে যেতে হবে তাদের স্নেহের শাসন আর ভালোবাসায়, বাস্তবতার কাছে আজ আমাদেত হার মানতে হচ্ছে,যাদের পদ-চারণায় এই বিদ্যালয় প্রাংগণ পেয়েছিল সস্তিত :নি:শ্বাস আজ তাদের কে বিদায় দিতে হবে, "যেতে নাহি দিতে চাই,তবু যেতে দিতে হয়" এই বাক্যের কাছে নতি স্বীকার করে আজ তোমাদের বিদায় দিতে হবে,জীবনের তাড়নায়,আর সামনে এগুনোর পথে প্রশস্ত করতে,ভাইয়া-আপুরা আমরা তোমাদের ভালোবাসায় সিক্ত, জানিনা কতটুকু সন্মান দিতে পেরেছি তোমাদের, যদি মনের অজান্তে কখনো কষ্ট দিয়ে থাকি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবে।
যাই হোক, বিদায়ী মুহূর্তে আর বেশি কিছু বলতে চাই না, এই প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাবৃন্দের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি। - ধন্যবাদ সবাইকে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy