2 Answers

এর প্রতিকার ধুমপান না করা,নিয়মিত ব্যায়াম করা,চর্বি জাতিয় খাদ্য না খাওয়া,কাচা ফল খাওয়া।

8219 views Answered

সেক্ষেত্রে প্রথম উপদেশ হচ্ছে ঘাবড়ে যাবেন না। ঘাবড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাবে। জ্ঞান হারাবার আগে ১০ সেকেন্ডের মতন সময় পাবেন, এই ১০ সেকেন্ডের মাঝেই নিজেকে বাঁচাবার চেষ্টা করতে হবে। আমাদের হার্ট যখন অপর্যাপ্ত এবং অনিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালন করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাকের ১০ সেকেন্ডের মধ্যে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। আপনি অজ্ঞান হবেন কি হবেন না সেটি তো আর এখনি বলে দেয়া যায়না। আর তাই হার্ট অ্যাটাক অনুভূত হলে বা হার্ট বিট অনিয়মিত অনুভূত হলে সাথে সাথে (১০ সেকেন্ডের মাঝে) খুব দ্রুত, জোরে এবং ঘন ঘন কাশি দিতে থাকুন। এমন ভাবে কাশতে থাকুন যেন কাশির সঙ্গে কফও বের হয়ে আসে। প্রতিবার কাশি দেয়ার আগে লম্বা করে বুক ভরে শ্বাস নিন। এভাবে ঘন ঘন কাশি এবং লম্বা নিঃশ্বাস প্রতি দুই মিনিট পর পর করতে থাকুন। এতে করে আপনার হার্ট কিছুটা হলেও নিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালন করতে শুরু করবে। অর্থাৎ আপনি ঘটনা স্থলেই প্রাণ হারাবেন না, অন্তত কেউ আসার আগ পর্যন্ত নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারবেন। এবং এই কাশির ফাঁকেই নিজের অবস্থান পরিবর্তন করুন। দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পরুন, বসা থাকলে শুয়ে পরুন। প্রত্যেক সাধারণ মানুষের জন্য এই টিপস জেনে রাখা অতি আবশ্যক। হাসপাতালে নেয়ার আগে এই টিপস অনেকখানি সাহায্য করবে রোগীকে। কারণ লম্বা নিঃশ্বাস নেয়ার ফলে আমাদের শরীরে অক্সিজেন পরিবহন বেশি হয়। আর ঘন ঘন এবং জোরে কাশি দেয়ার ফলে বুকে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাতে করে হার্ট পর্যাপ্ত ও নিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালনের জন্য প্রস্তুত হয়। মনে রাখবেন, লম্বা নিঃশ্বাস আর জোরে জোরে কাশি... হার্ট অ্যাটাকের সময় এই দুটো জিনিস আপনার সুযোগ দিবে নিজেকে রক্ষা করবার।

8219 views Answered

Next steps