উপদেশ দিন?
আমি নামাজ সামনের কাতারে পড়তে গেলে অনেক ভয় পাই। হঠাত মাথায় কেমন অস্থির লাগে, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। মনে হয় আর বাচবোনা।কিন্তু পিছনের কাতারে নামাজ পড়লে ভালো লাগেনা। আমি সামনের কাতারে নামাজ পড়তে চাই। আমি এখন কি করতে পারি?
গত বছর থেকে এই সমস্যাটি দেখা যাচ্ছে।
আমাকে একটা ভালো উপদেশ দিন।
3 Answers
এটা আপনার মনের একটা অস্থিরতা, কিছুটা ভয়,সাধারণত সামনের কাতারে ভালো ভালো ব্যক্তিত্বসসম্পন্ন মানুষ নামাজ পড়ে,অবশ্য তাদের সামনের কাতারে পড়তে হবে এমন কোন বাধ্যবোধকতা নেই,মুরিব্বি হিসেবে সন্মান করেই তাদের প্রথম কাতারে দেপ্যা হয়। এক্ষেত্রে আপনার ভয় কাজ করে পাশে বয়োজৈষ্ঠ্য্রা থাকার কারনে,সেক্ষেত্রে বলব আপনার পাশে কে,আপনি কোন কাতারে এটা না ভেবে নামাজ পড়তে গেলে এটা না ভেবে ভাবুন,আমার আশেপাশে কেও নেই,একমাত্র আমিই আল্লাহর সামনে মাথানত করছি,মনযোগ দিয়ে নামাজ পড়ুন অন্যকিছু ভাববেন না।,আর হয়তো আপনি জানেন না প্রথম কাতারে নামাজ পড়ার অনেক ফযীলত রয়েছে, আপনার এলাকার হুজুর থেকে তা জেনে নিন,দেখবেন প্রথম কাতারে নামাজ পড়ার ভয়তো চলে যাবে,উল্টা আরো বেশি আগ্রহ পাবেন,ওই কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার।
ভাই। আপনি ভয় পান কেন? আপনার সাথে আরও মুসল্লিরা থাকেন। আর আপনার মনে একটা ভয় কাজ করে, সেটাকে ওই সময় আনবেন না। মনে রাখবেন, আল্লাহর ঘর মসজিদ, আর তার ১ম কাতারে আপনি আছেন, তো মহান আল্লাহ ই আপনাকে যেকোন বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। বুঝলেন ভাই? আর সমস্যাটা আপনার মনের।
আপনি মনে হচ্ছে পেনিক ডিসঅর্ডার
আক্রান্ত হয়েছেনঃ
প্যানিক ডিসঅর্ডার হচ্ছে, এমন এক ধরনের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা বোধের ভেতরে থাকা যেটি নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার বাইরে। যখন কোনো স্বাভাবিক ঘটনায় বা কোনো কারণ ছাড়া একজন মানুষ অস্বাভাবিক রকমের উদ্বিগ্ন হয়ে যায় তখন তাকে প্যানিক ডিস-অর্ডার বলা যেতে পারে। তার মধ্যে হয়তো আতঙ্ক কাজ করছে, সে মারা যেতে পারে। গুরুতর কিছু একটা হয়ে যাচ্ছে, যেটি হয়তো তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এর জন্য যদি তার স্বাভাবিক কাজকর্ম সম্পূর্ণভাবে ব্যহত হয়।
এটি সাইকোলজি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
ঔষধ ও কাউন্সিলিং করালেও সুস্থ হয়ে যাবে