1 Answers
সাধারণত নভেম্বরের মাঝামাঝি আমাদের দেশে শীত পড়ে। ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত হালকা শীত থাকে। মাঝে জানুয়ারিতে বেশ শীত পড়ে। কোনাে কোনাে বছর শ্রীমঙ্গল, ঈশ্বরদী, রাজশাহী, রংপুর বা পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ৩-৪ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে নেমে যায়। ঢাকায় হয়তাে ১২-১৩ ডিগ্রি বা আরও কম তাপমাত্রা থাকে। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে কয়েকবার শৈত্যপ্রবাহ হয়। তখন শীত তীব্রতর হয়।কিন্তু ২০১৫ সালে বাংলাদেশে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বলতে গেলে কোনাে শীতই ছিল না। আবহাওয়া দপ্তর আগেই বলে আসছিল, শীত আসবে দেরিতে, হাড়কাঁপানাে শীতের আশঙ্কা প্রায় নেই। বাস্তবেও আমরা তা-ই দেখেছি। ২০১৬ সালে একটু অন্য রকম দেখা গেল। নভেম্বরের শেষ দিকে হালকা শীতের আমেজ পাওয়া গেছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছিল শীত এবারও ডিসেম্বরের আগে আসবে না। বাংলাদেশ পৃথিবীর উত্তর গােলার্ধে। ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯০ দশমিক ৩৫ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এর অবস্থান। অক্ষাংশ হলাে বিষুবরেখা থেকে কোনাে স্থানের (উত্তর বা দক্ষিণ) কৌণিক মান।
যেহেতু পৃথিবী তার অক্ষরেখার সঙ্গে সাড়ে ২৩ ডিগ্রি কোণে হেলে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তাই সূর্য কখনাে আমাদের কাছে, আবার কখনাে দূরেচ চলেযায়। এ জন্যই আসে বিভিন্ন ঋতু। বিভিন্ন ঋতুতে সূর্যরশ্মি এক এক কোণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে পড়ে । নভেম্বর-ডিসেম্বরে সূর্যের অবস্থান দক্ষিণ গােলার্ধে চলে যায় বলে আমাদের দেশে সূর্যরশ্মি বেশ বাঁকা হয়ে পড়ে। এর অর্থ হলাে অল্প সূর্যরশ্মি বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। দিন ছােট হয়ে আসে, রাত বড় হয়। ফলে আমরা এই সময় সূর্যের তাপ কম পাই। এটাই শীতের শুরু। আবার ফেব্রুয়ারির পর সূর্য উত্তর গােলার্ধের দিকে আসতে থাকলে ঋতুর পরিবর্তন হয়। একের পর এক আসে বসন্ত, গ্রীষ্ম, বর্ষা প্রভৃতি ঋতু। তাহলে নিয়ম অনুযায়ী যথাসময়ে শীত আসবে, এটাই তাে স্বাভাবিক।
:https://indianexpress.com/article/explained/why-winter-has-arrived-late-why-the-cold-will-last/lite/
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy