একজন মেয়েকে পছন্দ করি। ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী করণিয় কী?
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজনকে (মেয়েকে) মন থেকেই পছন্দ করি। পছন্দের সময়কাল বেশি হওয়ায় আমি তার প্রতি খুব বেশী আসক্ত এবং ভালবেসে ফেলেছি। সে যথেষ্ঠ পরিমান ইসলামী। আমি তাকে আমার পছন্দের ব্যাপারে তাকে জানিয়েছিলাম এবং সে না করে দেয়। মূলত আমি এরকম বলেছিলাম যে যদি আমাকে পছন্দ করে তাহলে হয়ত ভবিষ্যতে আমরা বিয়ে করে নিতে পারি। কিন্ত সে আমাকে পছন্দ করেনি। আমরা একই ক্লাস এ পড়তাম।তাই আমাদের মাঝে প্রথমের দিকে কিছু কথা হলেও অনেক দিন (৮মাস) যাবত কোনো কথাও হয় না। আমি জানি কারোকে এভাবে প্রস্তাব দেওয়াটা ঠিক নয়। পারিবারিকভাবে হওয়া উচিত। কিন্ত এখন আমারা বয়স ১৯বছর। পরিবার কে জানানো সম্ভব নয়। আবার সেও আমাকে পছন্দ করে না। কিন্ত আমি তাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারছি না। পড়াশোনার অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। আবার ইসলাম বিষয়টিকে কীভাবে দেখছে তা নিয়েও ভয়ে আছি। এখন আমার কী করা উচিত? তার জন্য আরো অপেক্ষা করা? তার সাথে আবার কথা বলা? (যদিও হারাম) নাকি অন্য কোনো উপায় অবলম্বন?
2 Answers
প্রথমেই বলি ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কোনো মেয়েকে ভালোবাসা অবৈধ এবং কবিরা গোনাহ। তাই কোনো মেয়েকে ভালোবাসার বিষয়টি এড়িয়ে চলাই উচিত।
একান্তই যদি কেউ কারো প্রেমে পড়ে যান, তবে তাকে একটি আমল করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম এক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফতোয়া বিভাগ। আর তাহলো-
যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে ভালোবাসে তাকে শুক্রবার মধ্যরাতে উঠতে হবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করতে হবে। মনের আশা পূরণের নিয়তে এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে-
فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُلْ حَسْبِيَ اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيم ِ
উচ্চারণ : ‘ফা ইং তাওয়াল্লাও ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১২৯)
অর্থ : এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।
এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে আল্লামা কাশ্মীরি রহ. রচিত কিতাব গাঞ্জিনা ই আসরার পড়ার পরামর্শও দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি।
এক কাজ করেন আপাতত আপনি নিজেকে যত তাড়াতাড়ি পারেন যোগ্য করে তুলেন,, যোগ্য মানে পড়ালেখা ভালো করে করেন আর ভালো কর্ম খুজে ইনকাম করেন তারপর বাবা মাকে বলেন যে আমি বিয়ে করবো তারপর পাত্রী হিসেবে তাকে প্রস্তাব দেন