আমার আব্বু (৫৪) দীর্ঘ ২৮ বছর যাবৎ এজমা সমস্যায় ভুগছেন।  তিনি দেশের ভালো ভালো ডাক্তারের পরামর্শে এযাবৎকাল পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ঔষধ খেয়ে আসেন। দীর্ঘ  ১০ বছর এর মত তিনি "Contine 200" খেয়ে ছিলেন। এখন গত এক বছর যাবৎ "Docopa. 200, এবং  Montair 10 (২ বছর ধরে Regular) ও Bexitrol F (Inhaler) 20 বছর ধরে ব্যাবহার করে আসছেন। আগে এগুলা ব্যাবহার করলে ফলাফল ভালো পাওয়া যেতো কিন্তু এখন এগুলো ব্যাবহারে খুব একটা ভালো ফল পাওয়া না বরং ব্যাবহার সকালে করলে সন্ধায় ; সন্ধায় করলে আবার সকালের আগেই ঔষধের  কার্যকারিতা চলে যায়... ইদানিং উনার বুকে অনেক বেশী ক্ষব (Caugh) জমে থাকে। 

এমনটা কেনো হয় জানাবেন।  

অগ্রিম ধন্যবাদ :) 

2620 views

1 Answers

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে এ্যাজমা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। বয়স্কদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক এর পরামর্শে  নিয়মিতভাবে ভাবে ইনহেলার নিতে হবে।আর হ্যা ওনার বুকে কফ জমে থাকে এসব মুলত ঠান্ডা কারনে হয়ে থাকে। সুতারং অবশ্যই ওনাকে হালকা গরম পানি খেতে বলবেন।

এ্যজমা রুগিদের ক্ষেত্রে অবশ্যই 

  • ১. এলার্জি কারক বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে । যেমনঃ ধুলো, বালি, ঘরের ঝুল, ধোঁয়া ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন ।
  • ২. ঘর বাড়িকে ধুলো বালি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করা । এজন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাপত্র, ভেজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করা ।
  • ৩. ঘরে কার্পেট রাখবেন না ।
  • ৪. বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা ।
  • ৫. শীতকালে যথা সম্ভব গরম পানিতে গোসল করা ।
  • ৬. ধূমপান করবেন না ।
  • ৭. যেসব খাবারে এলার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করে চলুন ।
  • ৮. ঠাণ্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি খাবেন না ।
  • ৯. মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলুন । কিংবা মানসিক চাপের কারণকে এড়িয়ে চলুন ।
  • ১০. পেশাগত কারণে অ্যাজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান কিংবা পেশা পরিবর্তন ।
  • ১১. পরিশ্রম কিংবা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ কম করতে ।
  • ১২. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করবেন । ইতিবাচক মন আপনাকে ভালো থাকতে সাহায্য করবে ।
  • ১৩. রেণু পরিহারে সকাল কিংবা সন্ধ্যা বাগান এলাকায় কিংবা শস্য ক্ষেতের কাছে যাবেন না ।
  • ১৪. রেণু এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল ও কাপড় ধুয়ে ফেলুন ।
  • ১৫. কুকুর বিড়াল বাগান থেকে রেণু বহন করতে পারে । এজন্য নিয়মিত কুকুর বিড়ালকে গোসল করানো প্রয়োজন ।

উক্ত নিয়ম মেনে চলতে বলবেন আশা করি ওনি সুস্থ্য হবেন।

2620 views

Related Questions