আমি বাড়িতে নামাজ পড়ার জন্য জায়নামাজে দাঁড়িয়ে বলে ফেলেছি যে হালাল জীবিকা উপার্জন করার জন্য দরকার হলে চকলেট বিক্রি করব এরপর নিম্নে উল্লেখ করা বিষয়গুলো নিয়ে আমার খুবই দুশ্চিন্তা হচ্ছে?
আমি বাড়িতে নামাজ পড়ার জন্য জায়নামাজে দাঁড়িয়ে বলে ফেলেছি যে আমার জীবনের একটা প্রধান লক্ষ্য হলো হালাল জীবিকা উপার্জন করা এমনকি দরকার হলে চকলেট বিক্রি করে হলেও এরপর নিম্নে উল্লেখ করা বিষয়গুলো নিয়ে আমার খুবই দুশ্চিন্তা হচ্ছে
বিষয়গুলো হলো আল্লাহ আমার এই কথা শোনার পর যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে তুমি যখন বললে যে তুমি চকলেট বিক্রি করে হলেও হালাল উপার্জন করবে তাহলে তুমি সত্যি বলছ কিনা এটা আমি প্রকাশ করার জন্য তোমার তকদির থেকে সকল হালাল উপার্জনের ভালো ভালো চাকরি আমি কেটে দিলাম অর্থাৎ তোমার জীবনে হালাল উপার্জনের আর কোন চাকরি আমি বরাদ্দ করবো না এবং আল্লাহ যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে তোমার তকদিরে চকলেট বিক্রি করাই লিখে দিলাম
অর্থাৎ তুমি কথাটা সত্যি বললে না মিথ্যা বললে এটা আমি প্রকাশ করার জন্য তোমার তকদির থেকে হালাল উপার্জনের সকল ভালো চাকরি কেটে দিলাম এবং তোমার জন্য নির্ধারণ করে দিলাম যে তুমি তোমার জীবনে কখনো হালাল উপার্জনের ভালো চাকরি পাবে না। আর তোমার জন্য শুধু নির্ধারন করলাম চকলেট বিক্রি করা যেটা হালাল হবে অথবা হারাম উপার্জনের বড় চাকরী। এই দুইটা তোমার তকদিরে দিয়ে দিলাম এখন দেখি তুমি হারাম চাকরিটা করো নাকি চকলেট বিক্রি করে হালাল উপার্জন করো।
আল্লাহ যদি আমার ব্যাপারে উপরে উল্লেখ করা এরকম সিদ্ধান্ত নেয় এবং এরকম পদক্ষেপ নেয় তাহলে এখন আমি কি করব?
আল্লাহ কি তার বান্দার ব্যাপারে এরকম কথার জন্য কি এরকম সংকীর্ণ জীবিকা উপার্জনের ব্যবস্থা কি তৈরি করে দিতে পারে?
2 Answers
প্রিয় ভাই আল্লাহ্ নিশ্চয়ই তার বান্দার জন্য সর্বোত্তম জীবিকার ব্যবস্থা করেন। ভাগ্য পূর্বনির্ধারিত। আপনার ভাগ্যে যেটা আছে সেটাই হবে। আপনার ভাগ্যে লেখা পেশাই আল্লাহ্ আপনার দোয়ায় প্রতিফলিত করবেন।
ধন্যবাদ!
মহান আল্লাহ তায়ালা আমার তকদিরে যদি এটাই দেন যেমন আপনি বললেন চকলেট বিক্রি করা তাহলে এটা আমার জন্য ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। বিশ্বাস রাখতে হবে যে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন।
মহান আল্লাহ পৃথিবীর কাউকে না খাইয়ে রাখেন না। সবল-দুর্বল, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, নারী-পুরুষ, বুদ্ধিমান-বোকা সবাইকে রিজিক দান করেন। রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ।
আল্লাহ যদি কারো রিজিক বন্ধ করে দেন, তবে তা চালু করার শক্তি কারো নেই। আল্লাহ বলেন- এমন কে আছে যে তোমাদের রিজিক দান করবে, যদি তিনি রিজিক বন্ধ করে দেন? বস্তুত তারা অবাধ্যতা ও সত্য বিমুখতায় অবিচল রয়েছে। (সুরা মুলক, আয়াত-২১)।