2 Answers

হারাম ।
2880 views Answered

"ঈদের দিনে কিছু নারীদের সুগন্ধি ও সাজগোজ করে পর্দা ছেড়ে বের হয়" -- এই সমস্যাটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু মানুষ এই ব্যাপারটিকে খুব হালকাভাবে নেয়। এ ব্যাপারে আল্লাহর সাহায্য আমরা কামনা করি। কিছু নারী যখন তারা তারাউয়ীহ (তারাবীহ) , ঈদের সালাত আদায় অথবা অন্য জায়গায় বের হয় তখন তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরিধান করে এবং সবচেয়ে সুন্দর সুগন্ধি ব্যবহার করে আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথ দেখান। আর আল্লাহ’র রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে এবং লোকজনের পাশ দিয়ে এমনভাবে যায় যাতে তারা তার সৌরভ উপলব্ধি করতে পারে সে একজন ব্যাভিচারিণী।” [বর্ণনা করেছেন আল-নাসা’ই (৫১২৬); আত-তিরমিযী (২৭৮৩); আল-আলবানী ‘সাহীহ আল-তারঘীব ওয়া আত-তারহীব’ (২০১৯) –এ একে হাসান হিসেবে উল্লেখ করেছেন] ।।। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত যে তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ’র রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “জাহান্নামবাসী দুটো শ্রেণী আছে যাদেরকে আমি দেখি নি। তারা এমন মানুষ যাদের কাছে গরুর লেজের ন্যায় চাবুক থাকে যা দিয়ে তারা লোকদের মারে এবং এমন নারী যারা কাপড় পরা স্বত্তেও বিবস্ত্র থাকে, নিজেরাও পথভ্রষ্ট এবং অপরকেও বিপথে পরিচালনা করে, তাদের মাথা হেলে যাওয়া উটের কুঁজের ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এমনকি এর সৌরভও পাবে না, যদিও এর সৌরভ এই এই দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়।” [মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে (২১২৮)] ।।। নারীদের অভিবাবকদের অবশ্যই আল্লাহকে ভয় করা উচিত তাদের স্বার্থে যারা তাদের আশ্রয়ে আছে এবং আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করা এবং ভরণ-পোষণ করার জন্য যে দায়িত্ব ওয়াজিব করেছেন তা সম্পাদন করা, কারণ আল্লাহ বলেছেনঃ “পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।” [সুরা নিসা ৪:৩৪]।।। তাই বলা যায় এই কাজটি হারাম।

2880 views Answered

Related Questions

Next steps