1 Answers



খরগোশের গোশত খাওয়া সম্পর্কে, মুহাম্মাদ ইবনে সাইফী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ধারালো সাদা পাথর দিয়ে দুইটি খরগোশ যবেহ করে তা নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলাম। তিনি আমাকে তা আহারের নির্দেশ দিলেন।

(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ৩১৭৫, সহীহ আবু দাউদঃ ২৫১৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। হাদিসের মানঃ সহিহ)।

হিশাম ইবনু যাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমরা একটি খরগোশকে মাররায-যাহরানে তাড়া করলাম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ এর পিছু ধাওয়া করলেন। আমি এর নাগালে পৌছে তা ধরে ফেললাম। আমি আবূ তালহা (রাঃ)-এর সামনে খরগোশটি নিয়ে আসলে তিনি একটি ধারালো পাথর দিয়ে তা যবেহ করেন। তিনি আমাকে এর উরু অথবা নিতম্বের গোশত দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঠালে তিনি তা খেলেন। আমি (হিশাম) প্রশ্ন করলাম, তিনি কি তা খেয়েছেন? আনাস (রাঃ) বললেন, তিনি তা গ্রহণ করেছেন।

(সূনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৯ ইবনু মাজাহঃ ৩২৪৩ হাদিসের মানঃ সহিহ)।

এ বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, খরগোশের গোশত খাওয়া কেবল হালালই নয় বরং সুন্নতেরও অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য, খরগোশের পা হরিণ বা গরু-ছাগলের মতো হোক কিংবা বিড়ালের মত হোক উভয় প্রকার পা বিশিষ্ট খরগোশই খাওয়া সম্পূর্ণ হালাল বলে ফতওয়া দেয়া হয়েছে। আর এটা শুধু হানাফী মাযহাবেই নয় বরং হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী প্রত্যেক মাযহাবেই হালাল বলে ফতওয়া দেয়া হয়েছে।
2621 views

Related Questions