2 Answers
পঙ্গপাল অর্থোপোডা পর্বের ঘাসফরিং জাতীয় পতঙ্গ। কাজেই অন্যন্য কিছু অর্থোপোডা প্রাণীর মত এদেরও খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু যেহেতু এটি ছোট পতঙ্গ তাই তাই এটি বাছাই ও পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। বলে এদের দেহে জীবানু, ময়লা,পাকস্থলি ইত্যাদি পরিষ্কার করা যাবেনা বলে দুর্গন্ধ ও ক্ষতিকর জীবানু থাকতে পারে বলে খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া এটি সকলের বিশেষ করে মুসলিমদের রুচিতে কুলাবে বলে মনে হয়না। কারন খাওয়ার অভ্যাস বা প্রচলন নাই। তথাপি কিছু উৎসাহী মানুষ যেমন জিওগ্রাফিক চ্যানেলের ঐ নায়কটির মত মানুষ খেতেই পারে। এমনকি চাইনা, কোরিয়া ইত্যাদি দেশের কিছু মানুষের রুচিতে এদের খেতে আগ্রহ থাকতে পারে বলে এরা খেতেই পারে। এই পতঙ্গের দেহে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে তবুও বন্য এবং রোগ জীবানু ,ভাইরাস ইত্যাদি বাহক হতে পারে যা পরিষ্কার করা সম্ভব নয় বলে খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত হবেনা। যদিও বহুদিন আগে জাতিসংঘ খাবার হিসাবে প্রাণীদের উপর চাপ কমাতে নতুন খাদ্যের অনুসন্ধান হিসাবে এসব পতঙ্গ এ খাওয়ার উপযোগী করা যায় কিনা তা গবেষকদের দেখতে বলেছিলেন।
সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নের উত্তরঃ পঙ্গপাল খাওয়া যায়। কারো রুচি হলে খেতে পারবে।

সালমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ট্টিড্ডি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলার বিরাট বাহিনী। আমি তা খাইও না এবং হারামও করি না।
আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের জন্য দুইটি মৃত জীব হালাল করা হয়েছেঃ মাছ ও ট্টিড্ডি।
[অর্থাৎ পঙ্গপাল খাওয়া হালাল এবং তা মাছের মত মৃতও হালাল।]
(রিয়াযুস স্বা-লিহীন, হাদিস নম্বরঃ ১৮৪২ সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ৩২১৮, ৩২১৯)।