2 Answers
বেগানা যুবক যুবতীর মাঝে নিষ্কাম বন্ধুত্ব অসম্ভব। কারো দ্বারা বিরলভাবে সম্ভব হলেও শরীয়তের তা হারাম। তাদের আপোষে ফোনালাপ ও রসালাপ বৈধ নয়।
যেহেতু তাতে ফিতনার আশঙ্কা রয়েছে। আর ফিতনা ও দাজ্জাল থেকে পাকা মুমিনকেও দূরে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (আহমাদ ৪/৪৩১, ৪৪১, আবূ দাঊদ ৪৩১৯)
মেয়েরা ছেলেদের সাথে অপ্রয়োজনে, আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। যা পরিস্কার ভাষায় জানা যায় যে, ফেইসবুকে প্রয়োজন ছাড়া মেয়েদের বন্ধু বানানো, তাদের সাথে কথা বলা জায়েজ নয়।
যদি প্রয়োজনে বলতেই হয়, আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলবে না, যাতে যার অন্তরে ব্যাধি আছে সে প্রলুদ্ধ হয়। তোমরা সঙ্গত কথা বলবে। যাদের হৃদয় আল্লাহর ভয়শূন্য তাদের সাথে এই নির্দেশাবলীর কোন সম্পর্ক নেই। তারা কখনোও এর পরোয়া করবে না।
আল্লাহ তাআলা যেরূপভাবে নারী জাতির দেহ-বৈচিত্রে পুরুষের জন্য যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি করেছেন (যা থেকে হেফাযতের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নারী পুরুষের জন্য ফেতনার কারণ না হয়ে পড়ে।) অনুরূপভাবে তিনি নারীদের কণ্ঠস্বরেও প্রকৃতিগতভাবে মন কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা, কোমলতা ও মধুরতা রেখেছেন, যা পুরুষকে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে থাকে। সুতরাং সেই কণ্ঠস্বর ব্যবহার করার ব্যাপারেও এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, পরপুরুষের সাথে বাক্যালাপের সময় ইচ্ছাপূর্বক এমন কণ্ঠ ব্যবহার করবে, যাতে কোমলতা ও মধুরতার পরিবর্তে সামান্য শক্ত ও কঠোরতা থাকে। যাতে ব্যাধিগ্রস্ত অন্তরবিশিষ্ট লোক কণ্ঠের কোমলতার কারণে তোমাদের দিকে আকৃষ্ট না হয়ে পড়ে এবং তাদের মনে কুবাসনার সঞ্চার না হয়।
কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে, (তরজমা) তোমরা (পর পুরুষের সাথে) বাক্যালাপে কোমলতা অবলম্বন কর না। যাতে এরূপ লোকের অন্তরে আকাঙ্ক্ষা (সঞ্চার) হয়, যার অমত্মরে কুপ্রবৃত্তি রয়েছে। -সূরা আহযাব : ৩২ উক্ত আয়াত টি ভালো করে পড়ুন। আপনি gf এর সাথে কথা বললে সে তো আপনার সাথে কোমলতার সহিত কথা বলবে। তাহলে তো রোজা রেখে কুরআন মাজীদের নির্দেশনাকে অমান্য করছেন। অন্য দিকে বিয়ের আগে কোন প্রকার রিলেশন করা উচিৎ নয়। বিয়ের আগে সর্ব প্রকার রিলেশন কে হারাম ঘোষনা করা হয়েছে। ~রোজা শুধু মাত্র আল্লাহ্ তালার জন্য আল্লাহ্ নিজে রোজাদার দের পুরুষ্কার দিবেন। এখন আপনি আল্লাহ্ কে খুশি করার নিয়ত করে যদি হারাম কাজে লিপ্ত হন। তাহলে কেমন হবে ব্যাপার টা বলুন.? সময় আছে ভাই। ফিরে আসুন আল্লাহ্ তালার দিকে।