1 Answers
পরিবারে কেউ যদি হারাম পথে উপার্জন করে সেই উপার্জনের টাকা যদি পরিবারের অন্য সদস্যরা ভোগ করে তারাও এই হারামের গোনাহ বা পাপের অন্তর্ভুক্ত হবে।
কেননা, পরিবারের অন্য সদস্যরা জেনেশুনে এই হারাম উপার্জন ভক্ষন করছে।
হারামকে মহান রাব্বুল আলামীন অপবিত্র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।
হারাম উপার্জন সম্পর্কে আল্লাহপাক বলেন, আর আপনি তাদের অনেককে দেখবেন যে; দৌড়ে দৌড়ে পাপে, সীমানংঘনে এবং হারাম ভক্ষনে পতিত হয়। তারা অত্যন্ত খারাপ কাজ করছে। (সূরা আল মায়িদাঃ ৬২)।
বিভিন্ন পথ বা পন্থার হারাম উপার্জন করা যায় এ সকল উপায়ে অর্জিত সম্পদ ভক্ষণে আল্লাহ পাক বান্দার প্রতি অসন্তুষ্ট হন। আল্লাহ তায়ালার নিকট তার প্রার্থনা কবুল হয় না।
হজরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা:) এমন এক ব্যক্তির কথা বললেন, যে দীর্ঘ সফর করে মলিন চেহারা ও পোশাক নিয়ে আসমানের দিকে হাত তুলে ইয়া রব, ইয়া রব বলে দোয়া করে। কিন্তু তার খাদ্য পানি পোশাক ও জীবিকা হারাম তাহলে কিভাবে আল্লাহর দরবারে তার দোয়া কবুল হতে পারে। [মুসলীম]।
নানা কারণে মানুষ হারামভাবে জীবিকা অর্জনের দিকে অগ্রসর হয়। অথচ বান্দার স্মরণ রাখা উচিত, হারাম উপার্জন মহান আল্লাহতায়ালার কছে কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। বরং আল্লাহপাক হারাম উপায়ে উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ হন। ফলে তার জন্য জাহান্নাম নিশ্চিত।
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূল (রা:) বলেন, হারাম দ্বারা লালিত পালিত শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (তিরমিজি)।